যাঁরা ভেদাভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন তাঁরা যেন পরাস্ত হন, তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিয়ে এই প্রার্থনাই করলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং হাসন বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ (Kajal Sheikh)। ডালা হাতে, মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে এদিন তাঁকে মায়ের আরাধনা করতে দেখা যায়। নিজের হাতে তারা মা’কে পরিয়ে দেন মালা। কাজলের সঙ্গে এদিন ছিলেন নানুর কেন্দ্রের প্রার্থী বিধানচন্দ্র মাঝি এবং দুবরাজপুর কেন্দ্রের প্রার্থী নরেশচন্দ্র বাউরি। তাঁরা ডালা ভর্তি ফুল ও পুজোর সামগ্রী নিয়ে মায়ের গর্ভগৃহে প্রবেশ করে শান্তিপূর্ণ ও সফল নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রার্থনা করেন। পুজো দিয়ে কাজল বলেন, “মমতার নেতৃত্বে ও অভিষেকের সেনাপতিত্বে সব সম্প্রদায়ের মানুষ যেন এক ছাতার তলায় থাকতে পারি।”
আরও পড়ুন:
ডালা ভর্তি ফুল ও পুজোর সামগ্রী নিয়ে মায়ের গর্ভগৃহে প্রবেশ করে শান্তিপূর্ণ ও সফল নির্বাচনের প্রার্থনা করেন। পুজো দিয়ে কাজল বলেন, “মমতার নেতৃত্বে ও অভিষেকের সেনাপতিত্বে সব সম্প্রদায়ের মানুষ যেন এক ছাতার তলায় থাকতে পারি।”
সোমবার সকালে রাজ্যের শাসকদলের তিন প্রার্থী বীরভূমের বিখ্যাত এই তীর্থক্ষেত্রে পুজো দিতে যান। বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রাক্কালে তারাপীঠ মন্দিরে শাসকদলের তিন প্রার্থীর একসঙ্গে পুজো দেওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তাও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা ভোটের মুখে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দলীয় ঐক্যের বার্তাও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই সব বার্তা তৃণমূলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তারাপীঠ মন্দিরে শাসকদলের তিন প্রার্থীর একসঙ্গে পুজো দেওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
কাজল শেখ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে পুজো দিয়েছি। মায়ের আরাধনা করেছি। বাংলার ২৯৪ জন তৃণমূল প্রার্থী যেন জয়ী হয় সেই প্রার্থনা করলাম। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে একাধিক জনমুখী প্রকল্প চালু করেছে তা যেন কখনও বন্ধ না হয়ে যায়। বাংলার উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে মানুষ যেন তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেয়। বাংলার বুকে আমরা হিন্দু, মুসলমান, শিখ, খ্রিষ্টান সব সম্প্রদায়ের মানুষ এক ছাতার তলায় আছি। মমতার নেতৃত্বে ও অভিষেকের সেনাপতিত্বে আমরা এভাবেই যেন থাকতে পারি। আমাদের মধ্যে যেন কোনও ভেদাভেদ না থাকে। যাঁরা ভেদাভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন তাঁরা যেন পরাস্ত হয়, তাঁরা যেন এগিয়ে যেতে না পারে। এই প্রার্থনাই মায়ের কাছে করলাম।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
খড়্গপুর আইআইটিতে পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু, পাশের কমপ্লেক্সের নিচে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ!
-
কলকাতায় নয়, প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে স্বাধীনতা দিবসে বাংলার এই গ্রামে তেরঙ্গা ওড়াবেন শুভেন্দু
-
মোসাদের শক্তিতে ‘পরাস্ত’ ইরান! কীভাবে ট্রাম্পের উপর হামলা বানচাল ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের?
-
স্বাধীনতার উৎসবে দেশের ঐতিহ্য সন্ধান, ঘুরে আসুন ইউনেস্কো স্বীকৃত ৫ অসাধারণ জায়গায়
-
‘মুসলমানকে বিয়ে করে বউদি হয়ে গিয়েছ’, নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে স্বরা বললেন…