শুধু নিজের গড় নন্দীগ্রাম নয়, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়েও জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ছাব্বিশের পরীক্ষায় ফুল মার্কস নিয়ে পাশ করেছেন তিনি। জয়ের পরদিনই ভবানীপুরে হাজির শুভেন্দু। তাঁকে ঘিরে কার্যত জনসমুদ্র। নেতাকে ঘিরে অকালহোলিতে মাতলেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।
এই বিষয়ে আরও খবর
বাংলা শেষ রাজনৈতিক বদল দেখেছিল ২০১১ সালে, সাড়ে তিন দশকের বাম জমানা অবসানে। ঠিক ১৫ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি বঙ্গভূমে-ফের পরিবর্তন। ছাব্বিশের ভোটে ঘাসফুলের জমিতে ফুটেছে পদ্ম। নতুন ইতিহাস তৈরি করে প্রথমবার বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় এল। কোন ম্যাজিকে একুশে মাত্র ৭৭ থেকে ছাব্বিশে প্রায় ২০০-এ লাফিয়ে উঠে গেল গেরুয়া শিবির, তা নিয়ে কাটাছেঁড়া চললেও এহেন সাফল্যের নেপথ্যে একজনের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি নিঃসন্দেহে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই ২০২০ সালে যে তৃণমূল শিবির ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন বিজেপিতে, সেই দলেই নিজের জমি তৈরি করেছেন, বিশ্বাসযোগ্যতা আর দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। আর দীর্ঘ এই সংগ্রামের সুফল পেয়েছেন তিনি এবং তাঁর দল। বিজেপির বঙ্গজয়ের ‘বাজিগর’ অবশ্যই কাঁথির ‘শান্তিকুঞ্জে’র দ্বিতীয় পুত্র।
ছাব্বিশের ভোটপরীক্ষায় শুভেন্দুর নিজের ‘রেজাল্ট’ দুর্দান্ত! জোড়া কেন্দ্রে জয়! নন্দীগ্রাম থেকে ৯ হাজার ভোটে এবং ভবানীপুর থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। সব থেকে বড় কথা, ভবানীপুর অর্থাৎ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় থেকে লড়ে তাঁকে হারিয়েছেন শুভেন্দু। সোমবার রাতে ফল স্পষ্ট হতেই রাজ্যবাসী ও ভবানীপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যেয় নিজেই পৌঁছলেন ভবানীপুরে। তাঁকে ঘিরে জনসমুদ্র। যতদূর চোখ যায়, শুধুই কালোমাথার ভিড়। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে গেরুয়া আবিরে মেতে ওঠেন সমুদ্র।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
কাশ্মীর সমস্যার সমাধান বাস্তবায়িত হতে পারে কোন পথে?
-
কলা পেকে নরম হয়ে গিয়েছে? ফেলে না দিয়ে রেস্তরাঁর কায়দায় বানিয়ে ফেলুন লোভনীয় ডেজার্ট
-
প্রথমবার এসএসবি-র অনুষ্ঠানে শুভেন্দু, মমতাকে নিশানা করে শাহ বললেন, ‘ডাকলেও আসতেন না’
-
ওয়ানডে বিশ্বকাপে বৈভব! যশস্বী-সহ বাদ নামীরা, প্রাক্তনীর ‘বম্ব স্কোয়াড’ নিয়ে শোরগোল
-
রূপান্তরকামী সেজে বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে ‘ধর্ষণ’! চাঞ্চল্য খাস মুম্বইয়ে



