ভোট পরবর্তী হিংসায় ‘খুন’ হলেন এক তৃণমূল কর্মী। রক্তে আরও লাল হল বীরভূমের লালমাটি। মৃতের নাম আবির শেখ। অভিযোগ, বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে রাস্তায় একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
এই বিষয়ে আরও খবর
বাংলায় বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে বাংলায় সরকার গড়বে গেরুয়া শিবির। দিকে দিকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ধরা পড়ছে। বীরভূম জেলায় ১১ আসনের মধ্যে ৬টিতে বিজেপি ও ৫টিতে তৃণমূল জয়ী হয়েছে। তৃণমূলের গড়, অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুকে এর আগে বিজেপি সেভাবে ছাপ ফেলতে পারেনি। এবার গোটা রাজ্যের সঙ্গে বীরভূমেও গেরুয়া শিবিরে ঝড় তুলেছে। জেলার বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক অশান্তির অভিযোগও সামনে এসেছে। এবার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী খুনের অভিযোগ সামনে এল।
জানা গিয়েছে, বছর ৪৫ বয়সের আবির শেখ নানুর এলাকার বাসিন্দা, তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সদস্য ছিলেন। আবির সন্তোষপুরে পিসিরবাড়ি গিয়েছিলেন। এদিন তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। অন্যদিকে তাঁর আত্মীয় আলি হোসেন মাঠে ধান তুলতে গিয়েছিলেন। রাস্তায় দু’জনের সাক্ষাৎ হওয়ায় একসঙ্গেই যাচ্ছিলেন। অভিযোগ। সেসময় বিজেপিআশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপর হামলা চালায়। রাস্তার মধ্যেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের কোপানো হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আবির শেখকে। গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকেন ওই আত্মীয়। তিনিও তৃণমূল কর্মী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।
রাস্তার মধ্যেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের কোপানো হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আবির শেখকে। গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকেন ওই আত্মীয়। তিনিও তৃণমূল কর্মী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসকরা আবির শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আলি হোসেনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার খবর পেয়েই স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। খবর পেয়ে নানুর থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। বোলপুরের এসডিপিও রিকি আগরওয়াল এলাকায় গিয়েছিলেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তৃণমূলের নবনিযুক্ত নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি বলেন, “বিজেপি জয়লাভ করবার পর থেকে নানুর জুড়েই তৃণমূল কর্মীদের উপর আক্রমণ, ঘর ভাংচুর শুরু হয়েছে। কেউ বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়র বাড়িতে রয়েছেন। শুধু ভাঙচুর নয়, বাড়িঘর আগুনে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু দেখতে হচ্ছে শান্ত নানুরে।” বিজেপির নানুরের বিধানসভার পরাজিত প্রার্থী খোকন দাস বলেন, “আমি বাইরে আছি। শুনেছি পারিবারিক হিংসা থেকে একজন খুন হয়েছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। মিথ্যা অভিযোগ আনছে তৃণমূল।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
অনলাইনে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে আরশোলা! কড়া পদক্ষেপ ‘অগ্নিশর্মা’ শ্বেতা তিওয়ারির
-
হাই কোর্টে ধাক্কা টুলুর! খারিজ রক্ষাকবচের আর্জি, ‘মেঘের আড়ালে সব দেখছেন’, বললেন বিচারপতি
-
তৃণমূল আমলে ঘরছাড়া! গলসির বিজেপি কর্মীর সঙ্গে দেখা করে বিধায়কের দাবি, ভয় আউট, ভরসা ইন
-
২১ আগস্ট বরলক্ষ্মী পুজো, অর্থকষ্ট দূর করতে জানুন ব্রত পালনের সঠিক নিয়ম
-
খেলার ইচ্ছাই হারিয়েছিলেন, বাবার মৃত্যুর পর প্রথম গোল করে আবেগে ভাসলেন মেসি



