রাজ্যে রাজনৈতিক বদলের সূচনালগ্ন থেকে তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার। ২০১১ সাল থেকে তিনি বারাসতের বিধায়ক। হ্যাটট্রিক পেরিয়ে এবার তাঁর কাছে চতুর্থবারের হাতছানি। কিন্তু ছাব্বিশের ভোটে আর প্রার্থী হতে চান না বারাসতের তারকা বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। শনিবার বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাবে তিনি জানালেন, ‘‘যে এনার্জি ছিল, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা ছিল, তা কমেছে। তাই আর দাঁড়াতে চাই না।” তবে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রার্থী করতে চাইলে আলাদা ব্যাপার, তাও জানালেন চিরঞ্জিত। তবে এই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। তা সত্ত্বেও বারাসত থেকে বিপুল ভোটের জয়ী হয়ে বিধায়ক পদে হ্যাটট্রিক করেছেন।
আরও পড়ুন:
সিনেজগৎ থেকে স্রেফ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজনীতির মাঠে নেমে পড়া চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সাফল্য কিন্তু যথেষ্ট নজরকাড়া। ২০১১ সালে রাজ্যের পালাবদলের সময় থেকেই তিনি সিপিএম প্রার্থীদের হারিয়ে বিধায়ক হয়েছেন। ২০১৬ ও ২০২১ সালেও বারাসতবাসী তারকা বিধায়ককে পেয়েছেন। যদিও একুশের আগেও চিরঞ্জিত ভোটযুদ্ধ থেকে সরে আসার কথা বলেছিলেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর উপরই ভরসা রেখে ফের প্রার্থী করেছেন। সেই ভরসার দামও দিয়েছেন চিরঞ্জিত, ভোট জিতে।
চিরঞ্জিতের কথায়, ‘‘আমার তিনবার বিধায়ক হওয়া হয়ে গিয়েছে। এবার চতুর্থবার। কিন্তু এখন আমা মনে হচ্ছে, আমার যে এনার্জি ছিল, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে ক্ষমতা ছিল, সেটা কমছে। আমি অত জোরে আর দৌড়তে পারি না। সিনেমায় আর ফাইট করতে পারি না। ফলে ছবিতেও ভূমিকা পালটে যাচ্ছে। সেই পরিবর্তনটা আমি মেনে নিতে চাইছি। রাজনীতি যেহেতু খুব পরিশ্রমের জায়গা, বড় কাজের জায়গা। সেটা আমি প্রায় করতে পারি না। তাই এখানে যদি আর না থাকি, ভালো হয়।”
ছাব্বিশের ভোটের পর কি চতুর্থবারের জন্য চিরঞ্জিতকে বিধানসভায় দেখা যাবে? এই প্রশ্নের জবাবে বিধায়ক নিজের ইচ্ছের কথা মন খুলে বললেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমার তিনবার বিধায়ক হওয়া হয়ে গিয়েছে। এবার চতুর্থবার। কিন্তু এখন আমা মনে হচ্ছে, আমার যে এনার্জি ছিল, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে ক্ষমতা ছিল, সেটা কমছে। আমি অত জোরে আর দৌড়তে পারি না। সিনেমায় আর ফাইট করতে পারি না। ফলে ছবিতেও ভূমিকা পালটে যাচ্ছে। সেই পরিবর্তনটা আমি মেনে নিতে চাইছি। রাজনীতি যেহেতু খুব পরিশ্রমের জায়গা, বড় কাজের জায়গা। সেটা আমি প্রায় করতে পারি না। তাই এখানে যদি আর না থাকি, ভালো হয়।”
কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আর বারাসতে তাঁকে ছাড়া আর কাউকে প্রার্থী করতে না চান, সেক্ষেত্রেও কি ভোটে দাঁড়াবেন না? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি দলনেত্রীর দূরদর্শিতার কথা উল্লেখ করে বললেন, ‘‘উনি তো দূরদর্শিনী, তাঁকে কি অস্বীকার করা যায়? মনে হয় যায় না। আমি অনুরোধ করতে পারি। তবে তিনি খুব ভালো বোঝেন, কাকে প্রয়োজন, কতটুকু প্রয়োজন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রোগী ভর্তির পর ৭২ ঘণ্টা প্রাইভেট প্র্যাকটিস না, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্য জারি কড়া নির্দেশিকা!
-
৭ দিনের ডেডলাইন! ধর্মতলার বিধান মার্কেট সরিয়ে জোকা লাইনের মেট্রোর কাজ শুরুর নির্দেশ হাই কোর্টের
-
এসএসসি চাকরি ‘বিক্রি’তে কোন পদের জন্য কত লক্ষ টাকা? পার্থ-অর্পিতার বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডির
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো পিঙ্ক লাইনের ছাড়পত্র দিল কলকাতা পুরসভা, অভিনন্দন শুভেন্দুর
-
ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা! ‘তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন, না হলে…’, বিশ্বনেতাদের হুমকি আমেরিকার