মিমে মিমে ছয়লাপ ফেসবুক। নির্বাচনী লড়াইয়ের আগে দেওয়াল লিখনে প্রচারের চেয়ে মিম রূপে ব্যঙ্গচিত্রই এখন ট্রেন্ডিং। বিধানসভা ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে থেকেই বঙ্গে নতুন ডিজিটাল প্রচারযুদ্ধ মন কেড়েছে আমজনতার। আরও আশ্চর্যের বিষয়, এই ‘মিমযুদ্ধ’ উপভোগ করছেন যুযুধান নেতানেত্রীরাও। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি মিমের প্রশংসা তাঁদের মুখেও। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভোটের মিম ‘যুদ্ধে’ এগিয়ে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, জিতেন তিওয়ারি, অগ্নিমিত্রা পলরা।
আরও পড়ুন:
বিজেপির অগ্নিমিত্রা পালকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘দিদি তোমার দেখা নেই’, তো জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে দেখা যাচ্ছে শোলের ‘গব্বর সিং’ রূপে। অন্যদিকে, মিমে ‘ডাকাত সর্দার’-সহ বিভিন্ন রূপে হাজির তৃণমূলের জেলা সভাপতি ও বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। জিতেনকে নিয়ে যেমন তৈরি হয়েছে একাধিক মিম, তেমনই নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীও হাজির বিভিন্ন ‘ক্যারেক্টারে’। মিমের গুণমানও অত্যন্ত ভালো ও রুচিসম্পন্ন। বিজেপির তরফে তাদের তথ্যপ্রযুক্তির টিমটি এসব মিম তৈরি করছে। তা বিজেপির নেতা, কর্মীদের দিয়ে নিজের নিজের ফেসবুকে শেয়ার করছেন। তেমনই তৃণমূলের ‘আমরা বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা’ বিজেপি নেতাদের নিয়ে তৈরি করছে একের পর এক মিম।

মিমের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তাঁর ফেসবুক থেকে শেয়ার করা জিতেন তিওয়ারি ও অগ্নিমিত্রা পলকে নিয়ে মিমের ভিউ প্রায় ১ লক্ষ ১৪ হাজার। লাইকও প্রায় ২ হাজার ৫০০। জিতেনের মিম দেখেছে প্রায় ৫০ হাজার ভিউয়ার্স। অগ্নিমিত্রারও কাছাকাছি একই সংখ্যা। দৈনিক প্রচুর লাইক, ভিউ আর শেয়ার হচ্ছে ভোট যুদ্ধের ‘নায়ক-নায়িকা’দের নিয়ে মিম। এমনকি যাঁরা সোশাল মিডিয়ায় ততটা সাবলীল নয়, তাঁরাও নিজেদের পেজে শেয়ার করছেন এসব রাজনৈতিক মিম। তৃণমূলের জেলা সভাপতি ও বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এই বিষয়ে বলেন, “বাংলা বরাবরই সব কিছুতে এগিয়ে। এখন ডিজিটাল যুগ। মানুষের চোখ সবসময়ই মোবাইল স্ক্রিনে। প্রযুক্তির সুবিধা সবাই নেয়। আমি এটা উপভোগ করছি। শালীনতা যেন ভঙ্গ না হয়, মানুষ যেন উপভোগ করতে পারে, সেটাই দেখতে হবে।”
একই মত বিজেপির জিতেন্দ্র তিওয়ারিরও। তিনিও বললেন, “উপভোগ করছি। সবার কাছে একটাই অনুরোধ, যেন শালীনতা ছাড়িয়ে না যায় এটা সবার নজর রাখা উচিত। একসময়ে ভোটের প্রচারে ব্যবহৃত কার্টুনের ডিজিটাল রূপ হলো মিম।” যদিও এসব মোটএই উপভোগ করছেন না আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। পালটা আশঙ্কা প্রকাশ করে তাঁর বক্তব্য, “অত্যন্ত বিরক্তিকর বিষয়। মিথ্যাকে নাট্যরূপ দিয়ে আমাদের ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তৃণমূল এভাবে আমার ভয়েস স্যাম্পেল নিয়ে অশ্লীল কিছু বাজারে ছাড়তে পারে। তার জন্যে আগাম ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অনুমোদন ছাড়া আল্ট্রাসোনোগ্রাফি! কার নির্দেশে সেবাশ্রয়ে সরকারি চিকিৎসকরা? তদন্তে স্বাস্থ্য দপ্তর
-
মুখ্যমন্ত্রীর অভয়বাণীই সার! ইন্দাসে আক্রান্ত সিপিএম, কাঠগড়ায় ‘গেরুয়া গুন্ডাবাহিনী’
-
আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন মিলল প্রাক্তন সাংসদ অপরূপার, চলবে পুলিশি জিজ্ঞসাবাদ
-
স্পেন তারকার প্রশংসায় ভিয়া, হকি খেলে গোলের গন্ধ চেনা শুরু ওয়ারজাবালের
-
আবহাওয়ার উলটপুরাণ, দুর্যোগ কমতেই প্রবল গরম উত্তরে, হাঁসফাঁস দশা দার্জিলিংয়ের!