বঙ্গে পালাবদল

হেরেও ইস্তফা দিতে নারাজ মমতা, কী করতে পারেন রাজ্যপাল! কী বলছে আইন?

এমনিতেই মুখ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ বা বরখাস্ত করার অধিকার রাজ্যপালের হাতে। ফলে রাজ্যপাল যদি চান, মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ১৭:১৫

options
link
হেরেও ইস্তফা দিতে নারাজ মমতা, কী করতে পারেন রাজ্যপাল! কী বলছে আইন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আরএন রবি। ফাইল ছবি।

নির্বাচন কমিশন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের যে ফলাফল ঘোষণা করেছে তাতে স্পষ্টত তৃণমূল কংগ্রেস পরাস্ত হয়েছে। রাজ্যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতা দখল করছে বিজেপি। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ পরাজিত হয়েছেন। কিন্তু তৃণমূল সুপ্রিমো সেই পরাজয় মানতে নারাজ। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতেও নারাজ তিনি।

Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ বলে দিচ্ছেন, “আমরা তো হারিনি। তাহলে আমি কেন ইস্তফা দেব।” এখন প্রশ্ন হল, মমতা যদি ইস্তফা দিতে না চান, তাহলে রাজ্যের প্রশাসন কোন পথে এগোবে। নতুন সরকার গঠনই বা হবে কীভাবে? এমনিতে রাজ্য বিধানসভার মেয়াদ ৭ মে পর্যন্ত। তাই নিয়ম অনুযায়ী, ৭ মের পর মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার কথা নয় মমতার। এখন যদি তিনি ইস্তফা দিতে না চান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ করতে পারেন রাজ্যপাল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এমনিতেই মুখ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ বা বরখাস্ত করার অধিকার রাজ্যপালের হাতে। ফলে রাজ্যপাল যদি চান, মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। তাতেও তৃণমূল নেত্রী ইস্তফা দিতে না চাইলে রাজ্যপাল তাঁকে বরখাস্ত করতে পারেন। স্রেফ রাজভবন থেকে একটি অধ্যাদেশ জারি করেই সরকারকে বরখাস্ত করে দিতে পারেন তিনি। অবশ্য রাজ্যপাল চাইলে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত না করে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে না পারলে মুখ্যমন্ত্রীকে পদ ছাড়তেই হয়।

Advertisement

এর বাইরেও আরও কড়া পদক্ষেপের সংস্থান রাজ্যপালের হাতে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হারের পর ইস্তফা দিতে না চাইলে সেটা সাংবিধানিক সংকটের শামিল। সংবিধানের ৩৫৬ যারা অনুযায়ী এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করতে পারে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের সরকারের সব ক্ষমতা এমনিই চলে যাবে কেন্দ্রের হাতে। তাহলে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত হবেন সঙ্গে সঙ্গেই। বস্তুত, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। তাই মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দিতে অস্বীকার করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটতে পারেন রাজ্যপাল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.