জানেন, সপ্তাহে কতবার খান এই দম্পতি?

হাওয়া খেয়েই বাঁচেন এঁরা!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৭, ১৩:৫৪

options
link
জানেন, সপ্তাহে কতবার খান এই দম্পতি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খুব বেশি হলে সপ্তাহে দুদিন। বাকি দিনগুলোতে খাওয়ার ধারও ধারেন না এই দম্পতি। শুনলে অবাক হবেন মহাজাগতিক শক্তি থেকে নাকি বেঁচে থাকার রসদ যোগাড় করেন এঁরা। খাবারের পয়সা বাঁচিয়ে এঁরা কি করেন জানেন?  বেড়াতে যান। বিশ্বভ্রমণ নেশা ওঁদের। মনের খাবারেই তাদের পেট ভরে যায়। গত নয় বছর ধরে চলছে এই মজার ব্যাপার স্যাপার। আকাহি রিকার্ডো ও তাঁর স্ত্রী ক্যামিলা কাসটেলো, খাওয়ার পিছনে সময় নষ্ট করা একেবারেই না পসন্দ তাদের। সপ্তাহে খুব বেশি হলে তিনবার, কিছু টুকরো ফল, নিদেনপক্ষে ছোট বাটিতে স্যুপ খেয়েই কেটে যায় ওঁদের। এই রুটিনটাই চলছে ২০০৮ সাল থেকে। বেঁচে থাকেন কী করে বলুন তো এই পরিবার ?

Advertisement

diet 1

Advertisement

তাঁদের বিশ্বাস মানুষ যে অভ্যাসে নিজেকে চালিত করে, সেভাবেই গড়ে ওঠে তাঁর খাদ্যাভ্যাস। হিন্দু ধর্মের অতি গুরুত্বপূর্ণ এই পদ্ধতি আত্মস্থ করে নিয়েছেন তাঁরা। রিকার্ডো ও ক্যামিলার মতে, এভাবে বেঁচে থাকা তাঁদের শরীরকে ভাল রাখে, বেশি সুস্থ বোধ করেন তাঁরা এভাবেই। ৩৪ বছরের ক্যামিলা বলছেন, যতক্ষণ মানুষের শরীরে জাগতিক শক্তি চলাফেরা করছে, ততক্ষণ তাঁদের খাওয়াদাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। প্রাণশক্তি থেকেই যোগাড় হয় বেঁচে থাকার রসদ। এই পদ্ধতির নাম ব্রেথারিয়ান পদ্ধতি। আকাহির দাবি, গর্ভাবস্থায়ও ক্যামিলা ব্রেথারিয়ান পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন। অর্থাৎ প্রায় কোনও খাবার ছাড়াই নাকি গর্ভকাল কাটিয়েছেন ক্যামিলা। প্রথম সন্তানের জন্ম হতে কোনও অসুবিধা হয়নি। তাঁর দ্বিতীয় সন্তানও জন্ম নিয়েছে সুস্থভাবে।

Advertisement

family 1

 

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া এবং ইকুয়েডর, দু’দেশেরই নাগরিক এই দম্পতি। সঙ্গে রয়েছে পাঁচ বছরের পুত্র আর দুই বছরের কন্যা। ২০০৫ সালে তাদের প্রথম দেখা হয়। ২০০৮ সালে বিয়ে। এক বন্ধুর থেকেই ব্রেথারিয়ান পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন তাঁরা। এখন কোনও অনুষ্ঠান হলে তবেই প্রথা ভাঙেন এই দম্পতি। তবে তাঁদের সন্তানরাও এই নিয়মে চলুন, তা চান না ক্যামিলারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.