শান্তি বৈঠকের সম্ভাবনায় আপাতত দাঁড়ি পড়েছে। হরমুজ বন্ধের পালটা ইরানের বন্দর অবরোধে নেমেছে আমেরিকা। হুমকি-হুঁশিয়ারির ঝাঁজ আরও বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এহেন ডামাডোলের মাঝেই আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার ইরানে বিরাট হামলা চালাতে পারে মার্কিন ফৌজ। সেই লক্ষ্যে ৬৫০০ টন গোলাবারুদ পাঠানো হয়েছে ইজরায়েলে। পাশাপাশি সূত্রের খবর, কীভাবে হামলা হবে তার নয়া তিন ব্লুপ্রিন্ট পেশ হয়েছে ট্রাম্পের কাছে।
আরও পড়ুন:
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম-এর কমান্ডার ব্রেড কুপার ও জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুদ্ধের ব্রিফিং দেন। সেখানেই আধিকারিকদের তরফে ইরানে হামলার তিনটি নয়া পরিকল্পনা পেশ করা হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে ট্রাম্পকে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি এই বৈঠক এমন একটা সময়ে সামনে এসেছে যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইজরায়েলে ৬৫০০ টন গোলাবারুদ পাঠিয়েছে আমেরিকা। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রককে উদ্ধৃত করে দ্য ইজরায়েল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ ও বেশ কয়েকটি বিমানে এই সমস্ত গোলাবারুদ ইজরায়েলে পাঠানো হয়।
ইরানে হামলা চালাতে ৬৫০০ টন গোলাবারুদ পাঠানো হয়েছে ইজরায়েলে। পাশাপাশি সূত্রের খবর, কীভাবে হামলা হবে তার নয়া তিন ব্লুপ্রিন্ট পেশ হয়েছে ট্রাম্পের কাছে।
যে ৬৫০০ টন অস্ত্র পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, আকাশ ও মাটিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, সামরিক ট্রাক, জয়েন্ট লাইট ট্যাকটিক্যাল ভেহিকল (জেএলটিভি) এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম। এই সমস্ত অস্ত্র ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ক্রয় অধিদপ্তর, আন্তর্জাতিক শিপিং বিভাগ, আমেরিকায় অবস্থিত মিশন এবং আইডিএফ-এর পরিকল্পনা বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই অস্ত্র সরবরাহ হয়। শুধু তাই নয় রিপোর্ট বলছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ইজরায়েলে প্রায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৬০০ টন সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে আমেরিকা। অপারেশন ‘সিংহ গর্জন’ শুরু হওয়ার পর ইজরায়েল আকাশ পথে ৪০৩ টি হামলা চালিয়েছে ইরানে। পাশাপাশি ১০টি সমুদ্র অভিযান চালানো হয়।
মার্কিন রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা যদি ফের যুদ্ধ শুরু করে সেক্ষেত্রে নয়া যে পরিকল্পনা রয়েছে তা হল, ইরানের পরিকাঠামো ধ্বংস করতে সেখানে ছোট অথচ মারণ হামলা চালানো। সেন্টকমের আশা, এটি তেহরানের ওপর চাপ তৈরি করবে এবং তাকে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করবে। মার্কিন বাহিনী আশা করছে, ব্যাপকহারে বোমা বর্ষণ শুরু হলে, শান্তি আলোচনার শর্ত নিয়ে আলোচনার সময় ইরান পারমাণু ইস্যুতে আরও নমনীয় হতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভয় দেখিয়ে অভিনেত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, গ্রেপ্তার বর্ষীয়ান পরিচালক
-
বাঘের মুখে প্লাস্টিক থেকে থার্মোকলের দূষণে জেরবার ম্যানগ্রোভ, শিরে সংক্রান্তি সুন্দরবনের!
-
শিয়রে শুল্কের খাঁড়া, অশনি সংকেতের মাঝেই মোদিকে ফোন ট্রাম্পের ডেপুটি ভ্যান্সের
-
দিঘার সৈকতে উঠল টন টন ইলিশ, এবার সস্তায় মিলবে রুপোলি শস্য?
-
বালোচিস্তানের সোনার খনি থেকে পাততাড়ি গোটাচ্ছে চিন! সিপিএসই-র ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বিগ্ন পাকিস্তান