H-1B Visa

বিদেশি কর্মীদের জন্য কোথায় কত আমেরিকান চাকরি হারিয়েছেন, তথ্য দিল হোয়াইট হাউস 

২০০৩ সালে এইচ-১বি ভিসাধারী তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর সংখ্যা ছিল ৩২ শতাংশ, এখন বেড়ে ৬৫ শতাংশ হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ১৫:২২

options
link
বিদেশি কর্মীদের জন্য কোথায় কত আমেরিকান চাকরি হারিয়েছেন, তথ্য দিল হোয়াইট হাউস 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এইচ-১বি ভিসা কীভাবে মার্কিন নাগরিকদের বেকারত্ব বাড়াচ্ছে, বিগত দুই দশকে কতটা প্রভাব পড়েছে, এই ভিসার জন্য কোথায় কবে কত আমেরিকান চাকরি হারিয়েছেন, তার হিসাব দিয়ে রবিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করল হোয়াইট হাউস। সেখানে বলা হয়েছে, আমেরিকায় ২০০৩ সালে এইচ-১বি ভিসাধারী তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর সংখ্যা ছিল ৩২ শতাংশ। এখন তা বেড়ে ৬৫ শতাংশে পৌঁছেছে। আর বিদেশিদের কারণে চাকরি যাচ্ছে আমেরিকার ‘ঘরের লোকের’। একটি আমেরিকান সংস্থা ২০২২ সালের পর থেকে মোট ২৭ হাজার মার্কিন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে বলে দাবি হোয়াইট হাউসের। এই পরিস্থিতি বদলাতেই কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। 

Advertisement

শনিবার ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছে, এবার থেকে মার্কিন সংস্থাগুলিকে এক-একটি এইচ-১বি ভিসার জন্য এককালীন এক লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৮ লক্ষ টাকা) করে সরকারকে দিতে হবে। এমন সিদ্ধান্তে আমেরিকার ভূমিপুত্রদের একাংশ খুশি হলেও ঘুম উড়েছে আমেরিকা প্রবাসী বিদেশিদের। বড় আঘাত এসেছে ভারতীয়দের উপরে। কারণ এই মুহূর্তে আমেরিকায় এইচ-১বি ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী ভারতীয় কর্মীরা। ফলে কঠোর নীতির সমালোচনাও শুরু হয়েছে। গতকালই এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেয় ভারতের বিদেশমন্ত্রক। এর মধ্যেই কঠোর নীতির কারণ জানাল হোয়াইট হাউস। ঠিক কী বলেছে ট্রাম্প প্রশাসন?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংস্থাগুলির এইচ-১বি ভিসার আবেদন মঞ্জুর এবং আমেরিকানদের চাকরি হারানোর পরিসংখ্যান পাশাপাশি তুলে ধরেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যেমন, ২০২৫ অর্থবর্ষে একটি সংস্থা ৫,১৮৯টি এইচ-১বি ভিসার আবেদন মঞ্জুর করেছে। ওই বছর ১৬ হাজার আমেরিকান কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়। আরও একটি সংস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যারা ২০২২ সালের পর থেকে মোট ২৭ হাজার মার্কিন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। অন্যদিকে মঞ্জুর করেছে ২৫,০৭৫টি নতুন ভিসার আবেদন। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, “আমেরিকান কর্মীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন মানুষ। প্রতিশ্রুতি রাখতে তিনি দিনরাত পরিশ্রম করছেন।”

Advertisement

আরও বলা হয়েছে, “রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে সমস্ত কর্মসংস্থানের সুবিধা পাচ্ছেন আমেরিকান বংশোদ্ভূত কর্মীরা। গত বছরের মতো পরিস্থিতি আর নেই, যখন রাষ্ট্রপতি বাইডেনের আমলে সমস্ত কর্মসংস্থান সুবিধা পেত বিদেশী বংশোদ্ভূত কর্মীরাই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.