মদ চুরি করাই নেশা যুবকের, শেষমেশ কী ঘটল জানেন?

ঘোর কাটতেই ঠিকানা শ্রীঘর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৭, ০৬:৫৯

options
link
মদ চুরি করাই নেশা যুবকের, শেষমেশ কী ঘটল জানেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পেশা চুরি। নেশা দামি হুইস্কি চেখে দেখা। শুধু স্বাদ নিয়ে থামা নয়, বগলদাবা করে গা ঢাকা দেওয়া ছিল বাঁ হাতের খেল। এলাকার একজনের বাড়িতে ভাল হুইস্কি এসেছে। এমন খবর পেয়েছিল ওই পাকা চোর। তক্কে তক্কে ছিল। একদিন ছাদের দরজা কেটে ওই বাড়িতে ঢুকে সুরাপানে মজে যায় অভিযুক্ত তরুণ। ভাল জিনিস পেয়ে লোভ একটু বেশিই হয়ে গিয়েছিল। ঘুম ভাঙার পর চোর দেখে হাতে হাতকড়া। সামনে পুলিশ। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার এই ঘটনায় অভিযুক্ত হেনরি উইলিয়ামসের কাণ্ডে হেসেই খুন এলাকার লোকজন।

Advertisement

[হঠাৎ পর্নে আসক্তি কমছে দর্শকদের, কেন জানেন?]

চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা। আর ধরা পড়লে একেবারে আঠারো ঘা। দিব্যি এর ওর বাড়ি থেকে হাত সাফাই করে চলছিল। মদের নেশা, একটু ভুল হল শ্যাম্পেনের টানই কাল হল বছর তেত্রিশের হেনরি উইলিয়ামসের। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে এসপারেন্সে থাকে হেনরি। একটি সূত্র থেকে সে খবর পায় এসপারেন্সে একজন দামি শ্যাম্পেন পার্থ থেকে কিনে এনেছেন। হেনরির আর তর সয়নি। কীভাবে শ্যাম্পেনের স্বাদ পাবে তা নিয়ে নানা ছক করতে থাকে। নিশানায় একবার রেকিও সেরে নেয় সে। গত সোমবার অফিসে বেরিয়েছিলেন বাড়ির মালিক। দোতলায় সিঁড়ির দরজা কেটে বাড়িতে ঢোকে হেনরি। ঘরের দামি আসবাব বা অর্থের দিকে তাঁর নজর ছিল না। কৌতুহলী চোখ খুঁজে বেড়াচ্ছিল শ্যাম্পেনের বোতলটিকে। ফ্রিজ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও আহ্লাদের জিনিসটা দেখতে পায়নি হেনরি। শ্যাম্পেন আর মিলবে না যখন মনে হয়েছিল তখন ঘরের এক কোনে প্রাণের চেয়ে প্রিয় বস্তুটিকে সে দেখতে পায়। এত খাটা-খাটনিতে সে একটু ক্লান্তই হয়ে পড়েছিল। খাটে একটু হেলান দিয়ে শ্যাম্পেনে চুমুক দিতে দিতে কখন ঘুম এসে যায় তা টেরই পায়নি হেনরি।

Advertisement

[বলুন তো, শহরের রাস্তায় উজ্জ্বল এই বিজ্ঞাপনে কী মারাত্মক ভুল রয়েছে?]

নেশা যখন ভাঙে তখন হেনরির বিস্ময় আর যায় না। দেখে গারদে কয়েকজনের সঙ্গে সে বসে আছে। পুলিশের বেতের মুখে নিজের কৃতকর্মের কথা সে স্বীকারও করে নেয়। তবে রেহাই মেলেনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.