কাশ্মীর ইস্যুতে প্রকাশ্যে পাক হতাশা, পারমাণবিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ইমরানের

‘শেষ দেখে ছাড়ব’, ভারতকে প্রচ্ছন্ন হুমকি পাক প্রধানমন্ত্রীর৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০১৯, ২১:৪২

options
link
কাশ্মীর ইস্যুতে প্রকাশ্যে পাক হতাশা, পারমাণবিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ইমরানের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর ইস্যুতে এবার সরাসরি পারমাণবিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিলেন ইমরান খান৷ জি-৭ শীর্ষক বৈঠকে মোদি-ট্রাম্প সাক্ষাৎ থেকে কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতার সম্ভাবনা ভেস্তে যাওয়ার পরেই, নিজের স্বরূপ প্রকাশ করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী৷ শক্তিধর রাষ্ট্রগুলিকেও হুমকি দিলেন তিনি৷ জানালেন, পারমাণবিক যুদ্ধের ফলাফল হবে ভয়ানক৷ তা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে৷ রেহাই মিলবে না শক্তিধর রাষ্ট্রগুলিরও৷

Advertisement

Advertisement

[ আরও পড়ুন: ‘কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতার প্রয়োজন নেই’, ট্রাম্পকে পাশে বসিয়ে সাফ বার্তা মোদির]

ভারতের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে এদিনের বক্তব্য পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যদি এই দ্বন্দ্ব যুদ্ধের আকার নেয়, তবে মন রাখতে হবে, উভয় দেশেই পারমাণবিক শক্তিধর৷ পারমাণবিক যুদ্ধে কারও জয় হবে না৷ বরং এটা গোটা বিশ্বে বিস্তার লাভ করবে৷ শক্তিধর রাষ্ট্রগুলির যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে…তারা আমাদের সমর্থন করুক বা না করুক, পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত যাবে৷’’ এখানেই শেষ নয়, ইমরান আরও বলেন, “কাশ্মীর থেকে ৩৭০, ৩৫এ প্রত্যাহার করে ঐতিহাসিক ভুল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঔদ্ধত্য ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রচুর সেনা মোতায়েন করে কাশ্মীরকে আত্মসাৎ করেছে ভারত। গান্ধী ও নেহেরু কাশ্মীরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা ভেঙেছে ওরা৷ সমগ্র বিশ্ব ৮০ লক্ষ কাশ্মীরিদের পাশে থাকুক বা না থাকুক, পাকিস্তান কাশ্মীরের পাশে রয়েছে।”

[ আরও পড়ুন: আমাজনকে বাঁচাতে জি-৭ সম্মেলনে অর্থ সাহায্যের অঙ্গীকার রাষ্ট্রপ্রধানদের ]

এদিনের ভাষণে আরএসএসকেও আক্রমণ করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মোদী নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারকে আদর্শগত অনুপ্রেরণা যোগায় আরএসএস, যারা বিশ্বাস করে ভারত হিন্দুদের দেশ এবং সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে গণ্য করে। এই ভাবনা থেকেই কাশ্মীর নিয়ে পদক্ষেপ করেছে ভারত সরকার।” এমনকী, রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায়ও জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলবেন বলে ভাষণে বার্তা দিলেন ইমরান খান। নিজেকে ‘কাশ্মীরবাসীর মুক্তির দূত’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বিভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘‘ক্ষমতায় আসার পর একাধিক বার ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। বলেছিলাম, শান্তি স্থাপনে ভারত এক পা এগোলে, চার পা এগোব আমরা। কিন্তু আলোচনায় বসতেই রাজি হয়নি ভারত। সবকিছুর জন্য শুধু পাকিস্তানকে দায়ী করে গিয়েছে। সন্ত্রাসে মদত জোগানোর অভিযোগ তুলেছে।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.