মহিলা সহকারীকে ‘সেক্স টয়’ কিনতে বাধ্য করেছিলেন এই মন্ত্রী

কেন এমন করলেন তিনি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০১৭, ০৬:২৩

options
link
মহিলা সহকারীকে ‘সেক্স টয়’ কিনতে বাধ্য করেছিলেন এই মন্ত্রী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মহিলা সহকারীদের যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা নতুন কিছু নয়। তবে প্রকাশ্যে তা স্বীকার করে নেওয়ার মতো উদাহরণ বিরল। এবার এহেন কীর্তিকলাপের কথা বেশ ফলাও করেই জাহির করলেন ব্রিটিশ মন্ত্রী মার্ক গার্নিয়ার। সংবাদমাধ্যমের সামনে ওই মন্ত্রী স্বীকার করেন, মহিলা সহকারীকে দিয়ে ‘সেক্স টয়’ কিনিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

[অন্তর্বাস তো পরেন, কিন্তু সঠিকভাবে পরার নিয়ম জানেন কি?]

Advertisement

ঘটনাটি ২০১০-এর। বড়দিনের খাওয়াদাওয়ার পর সহকারী কেরোলিন এডমন্ডসকে নিয়ে উপহার কিনতে বেরিয়ে পড়েন মার্ক। একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি সহকারী কেরোলিন হাতে কিছু টাকা ধরিয়ে দেন। তারপর আদেশ করেন দু’টি ‘ভাইব্রেটর’ বা একধরনের ‘সেক্স টয়’ কিনে আনতে। তাঁর এই কথায় হতভম্ব হয়ে পরেন কেরোলিন। মন্ত্রী জানান ওই দুটি যন্ত্রের একটি তাঁর স্ত্রীকে ও অপরটি অন্য এক মহিলাকে উপহার দেবেন তিনি। ফলে অনিচ্ছা থাকা সত্বেও যন্ত্র দু’টি কিনে আনেন কেরোলিন। ‘দ্য সান’ পত্রিকার দাবি ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করেছেন কেরোলিন। শুধু এই ঘটনাই নয় এক পানশালায় তাঁর সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করেছেন মন্ত্রী বলেও অভিযোগ জানান তিনি।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মন্ত্রী মার্ক গার্নিয়ারের আচরণে ওই বছরই চাকরি ছেড়ে দেন সহকারী কেরোলিন এডমন্ডস। তবে তাঁর অভিযোগের পরই বিপাকে পরেন অভিযুক্ত মন্ত্রী। একের পর এক শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করে তাঁর বিরুদ্ধে। ফলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই মুখ বাঁচাতে মাঠে নামে ব্রিটিশ ক্যাবিনেট। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে পার্লামেন্টে সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন মার্ক। তারপরই ২০১৬ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে-র ক্যাবিনেটে মন্ত্রী হয়ে আসেন তিনি।

ইতিমধ্যে এই অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলেছেন মার্ক। অভিযোগের সত্যতা পুরোপুরি অস্বীকার না করলেও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি। তাঁর দাবি, সহকারীকে দিয়ে সেক্স টয় কিনিয়েছিলেন তিনি। এবং ‘মজার ছলে’ মহিলা সহকারীর বক্ষযুগল নিয়ে ‘হালকা’ মন্তব্য করেছিলেন। তবে কোনও সময়ই শ্লীলতাহানির মতো কোনও কাজ তিনি করেননি। তবে তাঁর কথায় চিড়ে যে ভিজছে না, তা স্পষ্ট। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে মন্ত্রীত্ব হারাতে হতে পারে তাঁকে। এমনকি জেলেও যেতে পারেন তিনি।

[জানেন, আপনার ঠোঁট কীভাবে উত্তেজিত করে তুলতে পারে পার্টনারকে?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.