রাষ্ট্রসংঘে মায়ানমারের ঢাল চিন, প্রবল ক্ষুব্ধ আমেরিকা

চুপ করে নেই বাংলাদেশও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০১৮, ২০:৫০

options
link
রাষ্ট্রসংঘে মায়ানমারের ঢাল চিন, প্রবল ক্ষুব্ধ আমেরিকা

সুকুমার সরকার, ঢাকা: রোহিঙ্গা ইস্যুতে এবার সরব আমেরিকা। রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে চিন। সোমবার পরোক্ষে এমনটাই অভিযোগ করলেন রাষ্ট্রসংঘের আমেরিকার দূত নিকি হেলি। তার ইঙ্গিত রোহিঙ্গা গণহত্যার মতো বর্বর অপরাধে অভিযুক্তদের আড়াল করছে বেজিং।

Advertisement

[ভোট পরবর্তী সংঘর্ষের জেরে নিউটাউনে গ্রেপ্তার ২৫ জন বিজেপি কর্মী]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রোহিঙ্গাদের গণগত্যার অভিযোগে একাধিকবার মায়ানমারকে তুলোধনা করেছে রাষ্ট্রসংঘ। গত সপ্তাহে নাইপিদাওয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য একটি খসড়া তৈরি করে ব্রিটেন। নিরাপত্তা পরিষদে খসড়াটি প্রস্তুত করতেই বাদ সাধে চিন। বেজিংয়ের হস্তক্ষেপে একপ্রকার বিনা শাস্তিতেই পার পেয়ে যায় মায়ানমার। আর এতেই চটে লাল আমেরিকা। এদিন রাষ্ট্রসংঘে চিনের প্রতিনিধি মা জউক্স বলেন, “রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশ ও মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান করুক দু’দেশ। তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপে বিষয়টি জটিল হয়ে উঠতে পারে।” চিনের এই সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া। তাই আপাতত মায়ানমারের উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করবে না রাষ্ট্রসংঘ তা একপ্রকার স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

চিন ও আমেরিকার মধ্যে একাধিক ইস্যু নিয়ে চাপানউতোর চলছে। এবার রোহিঙ্গা ইস্যুতেও দু’দেশ একে অপরের মুখোমুখি। রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছে একাধিক দেশ। চলতি মাসেই মায়ানমার পরিদর্শন করে এসেছে নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল। বার্মিজ সেনার একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। সব মিলিয়ে চাপ বাড়ছে সু কি সরকারের উপর। তবে তাতে আদৌ গা করছে না বার্মিজ আর্মি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বেজিংয়ের ঢালাও আশ্বাসে এতটা বেপরোয়া নাইপিদাও।

এদিকে চুপ করে নেই বাংলাদেশও। সোমবার একাধিক দেশের সামরিক কর্তাদের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে নিয়ে যাওয়া হয়। ভারত, আমেরিকা, রাশিয়া-সহ একাধিক দেশের সামরিক প্রতিনিধিরা শরণার্থী শিবিরগুলি ঘুরে দেখেন। তবে মায়ানমারের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেই খবর। এই পদক্ষেপে ক্ষোভের বার্তা সাফ পৌঁছে দিল ঢাকা। উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই শরণার্থীদের ফেরাতে চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও মায়ানমার। তবে তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে প্রায় ৭ লক্ষ শরণার্থীর বোঝা বইতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

[মেট্রোর এসি রেকে ধোঁয়া, বেলগাছিয়া স্টেশনে নেমে পড়লেন আতঙ্কিত যাত্রীরা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.