যুদ্ধের ঘনঘটা
US-Iran War

প্রথম ১০০ ঘণ্টায় খরচ ৩১০০০ কোটি! ইরান যুদ্ধে বিরাট আর্থিক ধাক্কা আমেরিকার

রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় ২০০০ টিরও বেশি ধরণের অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এই অস্ত্র ফের মজুত করতে আমেরিকার খরচ পরবে ৩.১ বিলিয়ন ডলার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৯:৪৮

options
link
প্রথম ১০০ ঘণ্টায় খরচ ৩১০০০ কোটি! ইরান যুদ্ধে বিরাট আর্থিক ধাক্কা আমেরিকার
যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় আমেরিকার খরচ ৩১০০০ কোটি।

ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিংহ গর্জন’ শুরু করেছে আমেরিকা (US-Iran War) ও ইজরায়েল। যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তবে এই যুদ্ধের মাশুল আর্থিকভাবে গুনতে হচ্ছে আমেরিকাকে। রিপোর্ট বলছে, ইরানে হামলার পর প্রথম ১০০ ঘণ্টায় আমেরিকার খরচ হয়েছে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৩১০০০ কোটি।

Advertisement

আমেরিকার থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় খরচ ধরা হয়েছিল ৮৯১ ডলার প্রতিদিন। অর্থাৎ রোজ ৯০ কোটি ডলার। বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে খরচ পড়ে সর্বাধিক। মূল্যবান অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও অত্যধিক দাবি সব বোমা ব্যবহার করা হয়েছে এই যুদ্ধে।

Advertisement

রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় ২০০০ টিরও বেশি ধরণের অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এই অস্ত্র ফের মজুত করতে আমেরিকার খরচ পরবে ৩.১ বিলিয়ন ডলার।

থিঙ্ক ট্যাঙ্কের দাবি অনুযায়ী, এই যুদ্ধে প্যাট্রিয়টের মতো বিমান প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর সিস্টেমে ১.৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এছাড়া ১২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে যুদ্ধবিমান ও আকাশ পথে হামলা পরিচালনায়। CSIS-এর মতে, মোট ব্যয়ের মধ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। যেখানে ৩.৫ মিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত খরচ হয়েছে। যার জন্য আলাদা ফান্ডের প্রয়োজন হতে পারে। অর্থাৎ যুদ্ধ জারি রাখতে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে অতিরিক্ত বাজেটের দাবি জানাতে হবে।

Advertisement

রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় ২০০০ টিরও বেশি ধরণের অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এই অস্ত্র ফের মজুত করতে আমেরিকার খরচ পরবে ৩.১ বিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধ চলতে থাকলে খরচের বহর আরও বাড়বে। রিপোর্ট বলছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকারকে মার্কিন কংগ্রেসের কাছ থেকে অতিরিক্ত বাজেট অনুমোদন নিতে হতে পারে। এদিকে আমেরিকায় ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও তেলের দামবৃদ্ধির জেরে সেই অনুমোদন পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে ট্রাম্প সরকারকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.