সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিন্ধপ্রদেশের সুফি দরগায় ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে জঙ্গিদমনে বড়সড় সাফল্য পেল পাকিস্তান। সেই দেশের নিরাপত্তারক্ষীবাহিনী প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করেছে বলে পাক সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবার সিন্ধের বিখ্যাত লাল শাহবাজ কলন্দর দরগায় আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ৮০ জন নিরীহ মানুষ। এখনও পর্যন্ত জঙ্গি হামলার নিরিখে এই বিস্ফোরণকেই সবচেয়ে ভয়াবহ বলে চিহ্নিত করেছে পাক প্রশাসন। হামলার দায় স্বীকার করে আইএস জঙ্গি সংগঠন। এই ঘটনার পরপরই দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া হুঁশিয়ারি দেন, দেশবাসীর প্রত্যেক রক্তবিন্দুর বদলা নেবে সেনাবাহিনী। জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত বরদাস্ত করবে না সরকার।
(‘২০০ জনেরও বেশি মহিলাকে ধর্ষণ করেছি’, স্বীকারোক্তি আইএস জঙ্গির)
এরপরই শুক্রবার সেনাবাহিনী পাক-আফগান সীমান্তে খাইবার অঞ্চলে অভিযান চালায়। জঙ্গিঘাঁটিগুলি খুঁজে খুঁজে অপারেশন চালায় সেনা। তাতেই আসে সাফল্য। প্রায় ১০০ জন জঙ্গি এই অপারেশনে নিকেশ হয়েছে বলে পাক সেনা দাবি করেছে। আরও ৪৬ জনের খোঁজ চালানো হচ্ছে। আধাসেনা সিন্ধ রেঞ্জার্স দাবি করেছে, শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে ১৮ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। শেহওয়ান থেকে ফেরার পথে হাইওয়ের ধারে সাতজনকে গুলির লড়াইয়ে নিকেশ করা হয়েছে।
(জনপ্রিয়তা বড় দায়! ১০০০ ফুট উঁচু বাড়ি থেকে ঝুললেন রুশ মডেল)
অন্যদিকে, খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১৩ জন জঙ্গি, ৪ জন ওরাকজাই অঞ্চলে, ১১ জন করাচিতে খতম হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা। জানা গিয়েছে, জঙ্গিদের কাছ থেকে প্রচুর গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। তবে এই অভিযানে সাফল্য পেলেও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সমালোচনায় বিদ্ধ হয়েছে সে দেশের সরকার। বিরোধীদের অভিযোগ, জঙ্গিঘাঁটিগুলির সম্পর্কে তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন আগে সেগুলিকে গুড়িয়ে দেওয়া হয়নি? সরকার কীসের অপেক্ষায় ছিল। প্রসঙ্গত, ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আটটি সন্ত্রাস হামলা হয়েছে পাকিস্তানে। তবে এই প্রথম সন্ত্রাসী হামলার কড়া জবাব দিল পাক প্রশাসন।
সর্বশেষ খবর
-
সোমালিয়ার সমুদ্রে জলদস্যুদের তাণ্ডবে নিহত কলকাতার নাবিক, শোকে পাথর পরিবার
-
ফ্লাই দুবাইয়ের হামলাকারী সহ-পাইলটের ইরান যোগ! সাংঘাতিক ইঙ্গিত ট্রাম্পের
-
আগেও বহুবার সাউথ পয়েন্টের আহত সহপাঠীকে ‘টার্গেট’, কেন বারবার হামলা? তদন্তে পুলিশ
-
ফ্লাই দুবাই মনে করাচ্ছে কান্দাহার বিমান অপহরণ, মিউনিখ গণহত্যার মতো ঘটনাকে
-
পুজোয় পুরী যাওয়ার পথে একরাত কাটুক জঙ্গলে, সাফারিতে দেখা পেতে পারেন হাতিরও