করোনা কুয়েত

‘দেশে ফিরলেই একঘরে করা হতে পারে’, আতঙ্কে ভুগছেন কুয়েতে আটকে থাকা দেবজিৎ

৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ কুয়েত বিমানবন্দর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২০, ১৭:২৬

options
link
‘দেশে ফিরলেই একঘরে করা হতে পারে’, আতঙ্কে ভুগছেন কুয়েতে আটকে থাকা দেবজিৎ

দেবজিৎ মাইতি, কুয়েত: গত বছরের শেষ থেকে মারণ রোগ করোনায় আক্রান্ত বিশ্ব। বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা। সেই সময় থেকে কুয়েতে আটকে রয়েছি। মার্চ মাসে ভেবেছিলাম বাড়ি ফিরব। অথচ ১১ মার্চ থেকে কুয়েত থেকে বিমান বন্দর লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উঠবে আগামী ৩১ মার্চ। ফলে তার আগে কোনওভাবেই দেশে ফেরা সম্ভব নয়। কুয়েত জুড়ে লকডাউন চলছে।। তবে খাবার, ওযুধের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে। তাই আতঙ্কিত হচ্ছি না। কিন্তু বাড়ির জন্য বড্ড মন কেমন করছে।

Advertisement

আমি দেবজিৎ মাইতি। কুয়েতে শেফের চাকরি করি। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন বন্ধুও রয়েছে। যারা এখানে চাকরি করে। বছরের এই সময়টা আমরা সকলে বাড়ি ফিরি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাই। এ বছরও সেরকমই পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু এমনটা হবে কে ভেবেছিল!

Advertisement

[আরও পড়ুন : শুকনো কাশি থেকে প্রায় মৃত্যুর মুখে, করোনার দিনগুলি টুইটারে বর্ণনা তরুণীর]

কুয়েতেও বেশ কয়েকজন আক্রান্ত হয়েছে। ভয় যে একবারে পাচ্ছি না, তা নয়। কিন্তু মনের মধ্যেও কোথাও ভয় কাজ করছে। আর এই  প্রচণ্ডে আতঙ্কের মধ্যে দেশে ফেরার চেয়ে স্বস্তিদায়ক আর কিছু হতে পারে না। অথচ সেই উপায়টা নেই আমাদের কাছে। এদিকে দেশে ফিরলে তো আরেক উপদ্রব। পাড়ায় আমাকে তো বটেই, আমার পরিবারকেও একঘরে করে দেওয়া হতে পারে। ফেরার সময় সমস্ত শারীরিক পরীক্ষা করা হলেও রেহাই মিলবে না। শুনছি তো যারা দেশে ফিরছে সুস্থ থাকলেও তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। শারীরিক পরীক্ষা করা হলেও সন্দেহের বাঁকা চোখে আমাদের দেখা হচ্ছে। ফলে বাড়ি ফিরেও যে শান্তি পাব এমনটা নয়। সবমিলিয়ে ভীষণ অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। মন থেকে চাই, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসুক। আমরাও যাতে বাড়ি ফিরতে পারি।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘রিমোট ওয়ার্কিং’ মানে বাইরে আড্ডাবাজি নয়, সতর্ক করছেন প্রবাসী বাঙালিরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.