ডোকলামের জের, ভারতীয় সেনার সঙ্গে বৈঠক বাতিল লালফৌজের

নেপথ্যে চিনের 'যুদ্ধবাজ' লবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৭, ০৫:০৮

options
link
ডোকলামের জের, ভারতীয় সেনার সঙ্গে বৈঠক বাতিল লালফৌজের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডোকলামে সমঝোতার পথে হাঁটলেও, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও পিএলএ-র মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। দু’পক্ষের কেউই এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ। এমনই পরিস্থিতিতে প্রথা ভেঙে সীমান্তে বার্ষিক ‘বর্ডার পার্সোনাল মিটিং’ বা বিপিএম বৈঠক থেকে বিরত থাকল দু’দেশের  সেনাই।

Advertisement

[ডোকলাম বিবাদে বড় ধাক্কা চিনের, ভারতের পাশেই রাশিয়া]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রতিবছর চিনের ‘ন্যাশনাল ডে’ উপলক্ষে ভারতীয় ও চিনা  সেনাবাহিনীর মধ্যে বিপিএম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৪ হাজার কিমি ভারত-চিন সীমান্তের পাঁচটি জায়গায় মিলিত হন দুই সেনার প্রতিনিধিরা। এবছর রবিবার ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রথা ভেঙে এবার বাতিল হল ওই বৈঠক। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, এবছর দৌলতবেগ, চুশুল, বুমলা, কিবিথু ও নাথুলায় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে এবার ভারতীয় সেনাকে আমন্ত্রণ জানায়নি লালফৌজ। ফলে ভেস্তে যায় বৈঠক। এছাড়াও, ভারত ও চিনের মধ্যে ‘হ্যান্ড ইন হ্যান্ড’ সামরিক মহড়াও বাতিল হতে পারে বলে খবর।

Advertisement

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডোকলামে ভারতের কড়া অবস্থানে সেনা প্রত্যাহার করলেও ফুঁসছে লালফৌজ। তাই বিপিএম বৈঠক বাতিল করে কৌশলে ভারতকে বার্তা দিল ড্রাগনের দেশ। উল্লেখ্য, ডোকলামে সড়ক নির্মাণের কাজ বন্ধ করেছে চিন। তবে সেখানে এখনও মোতায়েন রয়েছে চিনা সেনা। একই ভাবে সীমান্তের এপারে টহল দিচ্ছে ভারতীয় বাহিনী। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, বিপিএম বৈঠক হলে দু’পক্ষের মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারত। তবে বৈঠক বানচাল হওয়ায় ফের সংঘর্ষের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠছে।

[ভারতের কাছে মাথা নত ড্রাগনের, ডোকলাম নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত লালফৌজ]

তাৎপর্যপূর্ণভাবে ডোকলাম নিয়ে লালফৌজ ও চিনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে ফাটল প্রকাশ্যে এসেছে। গতমাসেই এক বিবৃতিতে বেজিংয়ের ‘যুদ্ধবাজ’দের কার্যত মূর্খ বলে দাবি করেছেন ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’র মেজর জেনারেল কুইয়াও লিয়াং। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডোকলাম নিয়ে লালফৌজের অন্দরে ব্যাপক ভাঙন। সেনার একাংশ যুদ্ধের পক্ষে হলেও, অন্য গোষ্ঠীটি চাইছে ভারতের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে। কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতারাও আলোচনার পক্ষেই সায় দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। ফলে মারাত্মক সংঘাত তৈরি হয়েছে দু’পক্ষের মধ্যে। ডোকলাম থেকে সেনা প্রত্যাহার করায় প্রবল ক্ষুব্ধ চিনের ‘যুদ্ধবাজ’লবি। এবার বৈঠক বাতিল হওয়ার নেপথ্যে ওই লবির হাত রয়েছে বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন