সুকুমার সরকার, ঢাকা: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল শেষ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান। আর বিরাটদের এই হারে শোকে মূহ্যমান গোটা ভারত। কিন্তু ভারতের হারের রেশ সীমান্ত পেরিয়ে পৌঁছে গিয়েছে আরেক প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও। যেহেতু সেমিফাইনালে বিরাটদের কাছেই পরাস্ত হয়েছিল বাংলাদেশ, তাই টিম ইন্ডিয়ার হারে ঢাকাতেও দেখা গিয়েছে উৎসবের আমেজ। কিন্তু এর মধ্যেই এসেছে দুঃসংবাদ। ফাইনালে বিরাটরা ১৮০ রানে চূর্ণ হতেই আত্মহত্যা করলেন মহম্মদ বিদ্যুৎ হোসেন নামে এক বাংলাদেশি যুবক। রাজধানী ঢাকা থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে জামালপুরের বাসিন্দা তিনি।
[কোহলিদের হারে উল্লাস কাশ্মীরে, ভারতকে খোঁচা পাক সেনার]
জানা গিয়েছে, রবিবার ফাইনালের আগে পেশায় খাবার বিক্রেতা বিদ্যুৎ বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরেছিলেন। দাবি করেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কাপটি উঠবে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির হাতে। কিন্তু খেলা যত গড়াতে থাকে ভুল প্রমাণ হতে থাকে বিদ্যুতের ভবিষ্যদ্বাণী। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান তোলে ৩৩৮ রান। জবাবে মাত্র ১৫৮ রানেই থেমে যায় ধোনি-কোহলি-রোহিত-যুবরাজদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ। এরপরেই যাঁদের সঙ্গে বাজি ধরেছিলেন বিদ্যুৎ, তাঁরা টাকা চায়। কিন্তু বাজির টাকা দিতে পারবেন না জেনেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় ওই যুবক। এরপরেই রাত ১২টা নাগাদ জামালপুরের গেটপাড় এলাকায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন তিনি। ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনটি তাঁর শরীরের উপর দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। খবর পেয়ে আসে পুলিশ। তাঁরাই মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
[হারের জের: অশ্বিনদের পোস্টারে আগুন, নেটদুনিয়ায় বিরাটের হাতে কমোড]
গোটা ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বাজির টাকা দিতে না পারায় আত্মহত্যা করেছেন ওই যুবক। প্রাথমিক তদন্তে এই তথ্য উঠে এলেও এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
[OMG! ঐশ্বর্যকে ধূর্ত শেয়াল বললেন ক্যাটরিনা!]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে