Asim Munir

পেটে খিদে মুখে লাজ! পাক রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রশ্নে আল্লাহর দোহাই দিচ্ছেন মুনির

জল্পনার পিছনে ভারতের ষড়যন্ত্রের 'ভূত' খুঁজে পাচ্ছেন পাক সেনাপ্রধান

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৫, ১৩:১৮

options
link
পেটে খিদে মুখে লাজ! পাক রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রশ্নে আল্লাহর দোহাই দিচ্ছেন মুনির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান থেকে পারভেজ মুশারফ। পাক সেনাপ্রধান থেকে দেশের গদিতে বসে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, এমন শাসকের সংখ্যাটা কিন্তু মোটেও কম নয়। সেই তালিকায় কি এবার নাম লেখাতে চলেছেন আসিম মুনিরও? সেই সম্ভাবনাই ফের প্রকট হয়ে উঠেছে পাকিস্তানে। সেদেশের রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই জল্পনা শোনা যাচ্ছে, আসিফ আল জারদারিকে সরিয়ে এবার নাকি রাষ্ট্রপতির মসনদ দখল করতে পারেন আসিম মুনির। যদিও সেই জল্পনা মানতে একেবারেই নারাজ পাক সেনাপ্রধান।

Advertisement

পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি আমেরিকা সফর সেরে দেশে ফেরার সময় বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে পাকিস্তানের এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মুনির।  ‘রাষ্ট্রপতি হতে চান’ এই জল্পনা উড়িয়ে মুনির জানিয়েছেন, “কোনওদিনই আমার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল না। আজও নেই। আমি দেশের সেবক মাত্র। ঈশ্বর আমাকে দেশকে রক্ষার দায়িত্ব দিয়েছেন। এর থেকে বেশি কোনও কিছুই আশা করি না।” মুনির সাফ জানাচ্ছেন, তিনি একজন সেনা। আর দেশের জন্য় শহিদ হওয়াই তাঁর স্বপ্ন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্য সবকিছুর মতো এই জল্পনার পিছনেও ভারতের ষড়যন্ত্রের ‘ভূত’ খুঁজে পাচ্ছেন আসিম মুনির। তাঁর মতে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাংশ বিশেষ উদ্দেশ্যে এই ধরণের খবর প্রচার করছে। পাকিস্তানের কিছু সংবাদমাধ্যমও তার সঙ্গে তাল মেলাচ্ছে। পাকিস্তানে অশান্তি তৈরির জন্যই এমনটা হচ্ছে বলে মনে করছেন মুনির। এই ধরনের কার্যকলাপে ভারতকে বিরত থাকারও অনুরোধ করেছেন পাক সেনার ফিল্ড মার্শাল। আফগানিস্তানকেও মুনিরের সাফ বার্তা, কোনওভাবেই যেন তালিবানরা পাকিস্তানে অনুপ্রবেশ করতে না পারে।

Advertisement

দুই ‘বন্ধু’ দেশ, আমেরিকা ও চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের বন্ধুত্ব নিয়ে পাক সেনাপ্রধানের বক্তব্য,  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখবে পাকিস্তান। এবং দুই দেশকেই সমান প্রাধান্য দেবে। একদিকে মুনির সাফ দাবি করছেন তিনি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হতে চান না। অন্যদিকে বিদেশনীতি নিয়ে দেশের অবস্থান কি হবে তাও স্পষ্ট করে দিচ্ছেন। অর্থাৎ মুনিরের মুখে এক আর মনে আর এক অবস্থা, তা কিন্তু বলার অপেক্ষা রাখে না। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.