Hamas

অস্ত্র ত্যাগের প্রশ্নই নেই, স্বাধীন প্যালেস্টাইনের লক্ষ্যে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি হামাসের

একে একে বন্ধ হচ্ছে হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সব দরজা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৫, ১৩:৫০

options
link
অস্ত্র ত্যাগের প্রশ্নই নেই, স্বাধীন প্যালেস্টাইনের লক্ষ্যে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি হামাসের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একে একে বন্ধ হচ্ছে হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সব দরজা। ইজরায়েলের তরফে দেওয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পুরোপুরি খারিজ করল হামাস। গাজার এই সশস্ত্র সংগঠনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যতদিন না স্বাধীন প্যালেস্টাইন দেশ গঠিত হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত অস্ত্র ত্যাগ করবে না হামাস।

Advertisement

সম্প্রতি এই ইস্যুতে বিবৃতি জারি করা হয়েছে হামাসের তরফে। যেখানে বলা হয়েছে, “আমরা সশস্ত্র প্রতিরোধের অধিকার ততদিন পর্যন্ত ছাড়ব না যতদিন না জেরুজালেমকে আমাদের রাজধানী রূপে মান্যতা দিয়ে স্বতন্ত্র স্বাধীন প্যালেস্টাইন দেশ তৈরি হচ্ছে।” হামাসের তরফে এহেন বিবৃতি এমন একটা সময়ে সামনে এল যখন কাতার, ফ্রান্স ও মিশরের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আলোচনা সমাপ্ত হয়েছে। যেখানে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, এই দুই অঞ্চলে দ্বিরাষ্ট্র নীতি অবলম্বন করে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করা হবে। বদলে হামাস পুরোপুরি নিজেদের অস্ত্র ত্যাগ করবে। তবে সেই প্রস্তাব হামাস অস্বীকার করায় সংঘর্ষবিরতির চেষ্টা পুরোপুরি চলে গেল ঠান্ডা ঘরে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে সংঘর্ষবিরতির লক্ষ্যে ইজরায়েলের তরফে হামাসকে দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যেখানে সকল পণবন্দিকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে এবং অস্ত্র ত্যাগ করতে হবে হামসকে। যদিও সেই শর্ত মানতে রাজি হয়নি হামাস। সূত্রের খবর, হামাসের দাবি ছিল তেল আভিভের স্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি ছাড়া একতরফাভাবে সমস্ত ইজরায়েলি পণবন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি নয় তারা। হামাসের অভিযোগ, ইজরায়েলকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য মদত দিচ্ছে আমেরিকাই। হামসের এহেন অনড় মানসিকতায় ইতিমধ্যেই গাজার একাংশ দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

Advertisement

এদিকে গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলতে থাকা এই মারণ যুদ্ধে ইতিমধ্যেই ৬০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গুলি-গোলার পাশাপাশি অনাহারে মৃত্যু হচ্ছে নারী ও শিশুদের। গাজায় ইজরায়েলের চরম অমানবিকতার জেরে ক্ষুব্ধ ইউরোপের বহু দেশ। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইতিমধ্যেই গাজার ক্ষুধা মেটাতে বিদেশি সাহায্যের অনুমতি দিয়েছে ইজরায়েল। ফ্রান্স, ব্রিটেনের মতো একাধিক দেশ রাষ্ট্রসংঘের আসন্ন অধিবেশনে প্যালেস্টাইনকে দেশের মর্যাদা দেওয়ার বার্তা দিয়েছে। সবমিলিয়ে দীর্ঘ এই যুদ্ধে কিছুটা হলেও চাপে ইজরায়েল।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন