অসুস্থ টেডির চিকিৎসা করছে হাসপাতাল! ব্যাপারটা কী?

আজব কাণ্ড!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০১৮, ১৯:১৪

options
link
অসুস্থ টেডির চিকিৎসা করছে হাসপাতাল! ব্যাপারটা কী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  এ যেন এক আজব কাণ্ড। কোলে ‘অসুস্থ টেডি’ নিয়ে অপেক্ষা করছে তাদের অভিভাবকরা। সেখানে তাদের টেডিদের চিকিৎসা হবে। হাসপাতালের বাইরে, করিডরেও উদ্ভ্রান্ত অভিভাবকদের ভিড়। এই দৃশ্য এক হাসপাতালের। মেরামত নয়। সেখানে চিকিৎসা হয় ‘অসুস্থ টেডি’-দের।

Advertisement

তবে এই হাসপাতাল কিন্তু ভারতের নয়। দুবাইয়ের। শিশুরা সেখানে তাদের ‘অসুস্থ টেডি’-রে নিয়ে যায়। ডাক্তার দেখায়। টেডিদের সিটি স্ক্যান হয়। ‘শারীরিক অবস্থা’ জটিল থাকলে তাদের অস্ত্রোপচারও করা হয়। তবে তার আগে মানুষের মতোই অ্যানাস্থেশিয়া করা হয় টেডিদের। তারপর সুস্থ হয়ে টেডিরা ফিরে যায় বাড়ি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মহম্মদ বিন রশিদ ইউনিভার্সিটি অফ মেডিসিন অ্যান্ড হেল্থ সায়েন্সে (MBRU) টেডিদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। শিশুদের ডাক্তার সম্পর্কে ভীতি কাটাতে এই আয়োজন করা হয়েছে। দুবাইয়ের একটি সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশ করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপ-রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতোম হাসপাতালের প্রথম সিজনে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে ৪ শিশুও উপস্থিত ছিল।

Advertisement

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুরা এখানে নিজেদের টেডি নিয়ে আসে। তাদের কী সমস্যা চিকিৎসকদের জানায়। চিকিৎসকরা টেডিদের রোগ অনুযায়ী উপায় বাতলে দেন। কখনও শিশুদের সঙ্গে তাদের টেডিদের স্বাস্থ্য নিয়েও আলোচনা করেন। অবস্থা গুরুতর হলে বা কোনও টেডি চোট পেলে তাদের অবজারভেশন রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের পর্যবেক্ষণ করা হয়। দরকার পড়লে ক্ষত স্থানে ব্যান্ডেজও করে দেন চিকিৎসকরা। এমনকী টেডিদের সিটি স্ক্যানেরও ব্যবস্থা রয়েছে হাসপাতালে।

টেডি বিয়ারদের জন্য এই হাসপাতালের পরিকল্পনা আসে নলেজ অ্যান্ড হিউম্যান ডেভলপমেন্ট অথরিটির (KHDA) তরফ থেকে। প্রাথমিক পর্যালোচনার পর তারা বিষয়টি মহম্মদ বিন রশিদ ইউনিভার্সিটি অফ মেডিসিন অ্যান্ড হেলথ সায়েন্সকে (MBRU) জানায়। উভয়ের মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে টেডিদের জন্য হাসপাতাল। MBRU-এর হেলেন হেন্ডারসন জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শিশুদের শিক্ষার জন্য এটি একটি ভাল সুযোগ। শিশুরা যখন হাসপাতালে যায়, তাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই ভয় কাজ করে। সেই ভয় কাটানোর জন্য এই উদ্যোগ সাহায্য করবে বলে জানান তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন