সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ”আমি মালালা ইউসুফজাই নই। কেননা আমি দেশ ছেড়ে পালাইনি।” এভাবেই শান্তিতে নোবেলজয়ী পাক তরুণীকে কটাক্ষ করলেন কাশ্মীরের সমাজসেবী ইয়ানা মির। ব্রিটেনের পার্লামেন্ট ভবনে দাঁড়িয়েই তিনি জানিয়ে দিলেন, কাশ্মীরে তিনি নিরাপদে রয়েছেন। এই ভাষণ কার্যত ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।
কাশ্মীরের (Kashmir) প্রথম মহিলা ভ্লগার ইয়ানা একজন সাংবাদিকও। এদিন মালালা সম্পর্কে তিনি কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ”আমার দেশ, আমার উন্নয়নশীল মাতৃভূমিকে ” বলে বদনাম করার আমি আপত্তি করছি মালালা ইউসুফজাই (Malala Yusufzai)। এই ধরনের ‘টুলকিট সদস্য’ ও বিদেশি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা দরকার। এঁরা কখনও কাশ্মীরে আসেন না। কিন্তু বাইরে থেকে বানানো গল্প তৈরি করেন।” তাঁর দাবি, তিনি কাশ্মীরে অত্যন্ত নিরাপদ রয়েছেন। সেই সঙ্গে তাঁর আর্জি, ”আমি আপনাদের কাছে আবেদন করছি, ধর্মের ভিত্তিতে ভারতীয়দের মধ্যে মেরুকরণ না করতে। আমি আপনাদের আমাদের ভাঙতে দেব না।”
[আরও পড়ুন: ‘দূরবীন দিয়ে খুঁজলেও…’, ফের কংগ্রেসের জোট প্রস্তাব ‘নাকচ’ তৃণমূলের]
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে পাকিস্তানের (Pakistan) খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বুলেটের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিল নোবেলজয়ী মালালার মস্তিষ্কের বাঁ দিকের অংশ। একসময় পুরোপুরি অনুভূতিহীন হয়ে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন ১৫ বছরের পাক কিশোরী। লড়াকু নারী হিসেবে অনেকেরই অনুপ্রেরণা তিনি। সব থেকে কম বয়সে পেয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার। এবার তাঁকেই আক্রমণ করলেন কাশ্মীরের সমাজকর্মী।
[আরও পড়ুন: এক সপ্তাহে ৩ বার রাজ্যে মোদি, বাংলা থেকেই শুরু লোকসভা ভোটের প্রচার]
সর্বশেষ খবর
-
সাপ ধরেই চ্যাংদোলা করে ঘোরাচ্ছেন! ‘নির্যাতনের’ ভিডিও ঘিরে বিতর্কে বিট অফিসার
-
জটিল রক্তরোগের চিকিৎসায় বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন, বিশেষ সম্মান ডা. রজত ভট্টাচার্যকে
-
বিপদকালে স্বামীকে যোগ্য সঙ্গত স্ত্রীর! স্মিতের সহধর্মিণীর মানসিক দৃঢ়তা প্রশংসিত নেটদুনিয়ায়
-
‘জঙ্গি’ পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ! ফ্লাইদুবাইয়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ যাত্রীদের
-
ভর্তি নেয়নি সরকারি হাসপাতাল! রাস্তাতেই সন্তান প্রসব দলিত তরুণীর, তারপর…