১৪ আগস্টের আগেই কি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ ইমরান খানের? জল্পনা তুঙ্গে

পিটিআই নেতার কথাতেই গুঞ্জন৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৮, ১০:৪৩

options
link
১৪ আগস্টের আগেই কি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ ইমরান খানের? জল্পনা তুঙ্গে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানে বুধবার হওয়া সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয় শনিবার৷ ইমরান খান ও তাঁর দলকে নির্বাচনে জয়ী হিসাবে ঘোষণা করেছে পাক নির্বাচন কমিশন। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী ১৪ আগস্টের আগেই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে পারেন তিনি৷ পাক সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ নেতা নাইম-উল-হক জানান, আগামী ১৪ আগস্টের আগেই হয়তো শপথ নিতে পারেন ইমরান খান৷ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরাও উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান তিনি৷ খুব শীঘ্রই অধিবেশনে আহ্বান করবেন পাক প্রেসিডেন্ট মামনুন হোসেন৷ পাক নির্বাচন কমিশন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বলেই জানান নাইম-উল-হক৷

Advertisement

[পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে এই প্রথম জয়ী এক হিন্দু প্রার্থী]

৩৪২ আসন বিশিষ্ট পাক পার্লামেন্ট বা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে লড়াই হয় ২৭২টি আসনে। ৭০টি সংরক্ষিত থাকে মহিলা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য। যেখানে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলকে পেতে হত ১৩৭ টি আসন। ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের ঝুলিতে এসেছে ১১৫টি আসন। তুলনায় অনেকটাই পিছনে রয়েছে নওয়াজের দল পিএমলএন ও বেনজির ভুট্টোর পিপিপি। তাদের দু’দলের প্রাপ্ত আসনসংখ্যা যথাক্রমে ৬৪ ও ৪৩। এই ফলাফল থেকে ইমরান খান ও তাঁর দলকে নির্বাচনে জয়ী হিসাবে ঘোষণা করেছে পাক নির্বাচন কমিশন। এবার অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট গড়ে পাকিস্তানের মসনদে বসতে হবে ইমরান খানকে। এ প্রসঙ্গে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইসলাম নেতা নাইম-উল-হক বলেন, ‘‘আমরা প্রতিনিয়তই নির্দল প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি৷ আজ অথবা আগামিকাল, গোটা দেশবাসী কোনও ভাল খবর শুনতে পাবেন৷’’

Advertisement

[ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই নয়া জমানা শুরুর ইঙ্গিত ইমরানের]

তিনি আরও জানান, ইমরান খান অত্যন্ত মানবদরদী৷ সাধারণ মানুষের কথা সবসময় ভেবে চলেছেন পাকিস্তানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী৷  এর আগে যদিও সাংবাদিক বৈঠক করেই নিজের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছিলেন ইমরান খান৷ তিনি বললেন, “ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মূল সমস্যা কাশ্মীর নিয়ে। ৩০ বছর ধরে কাশ্মীরবাসী কষ্টে আছে। আমরা দ্রুত কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করতে চাই, ভারত চাইলে আলোচনায় বসতে রাজি। ভারত এক পা এগোলে আমরা দুই পা এগোবো। কাশ্মীর সমস্যা সমাধান হলে গোটা ভারতীয় উপমহাদেশের জন্য তা ভাল খবর।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.