Pakistan

‘ভারত আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল’, মানলেন পাক উপপ্রধানমন্ত্রী

শাহবাজ শরিফের পর ইশাক দারও মানতে বাধ্য হলেন নয়াদিল্লির প্রত্যাঘাতকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৫, ০৪:৩৪

options
link
‘ভারত আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল’, মানলেন পাক উপপ্রধানমন্ত্রী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শাহবাজ শরিফের পর ইশাক দার। পাক প্রধানমন্ত্রীর পর উপপ্রধানমন্ত্রীও মেনে নিলেন ভারতের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটি। সেদেশের সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি পরিষ্কার স্বীকার করেছেন তাঁদের দুই গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটি, রাওয়ালপিন্ডির নুর খান এয়ারবেস এবং শোরকোট বিপর্যস্ত হয়েছে অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কায়।

Advertisement

এর আগে পাকিস্তানের সেনা ও সরকার নয়াদিল্লির প্রত্যাঘাতকে মানতে চাননি প্রকাশ্যে। কিন্তু এদিন ইশাক দার সাফ জানিয়েছেন, পাকিস্তানও ভারতকে জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই ভারত আঘাত হানে। পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন, ভারতের হানার ৪৫ মিনিটের মধ্যেই সৌদি যুবরাজ ফয়সল বিন সলমন নাকি ফোন করে তাঁকে জিজ্ঞেস করে, ”আমি কি জয়শংকরকে বলব পাকিস্তান থেমে যেতে চাইছে?” সৌদি আরবও যে নীরবে ভারত-পাক সংঘর্ষ থামাতে চেষ্টা করেছিল, সেটাই ফুটে উঠেছে পাক উপপ্রধানমন্ত্রীর দাবিতে।

Advertisement

মে মাসের শেষদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আজারবাইজানে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় বলেন, ভারতের ব্রহ্মস মিসাইলে বিপর্যস্ত হয়েছিল পাক বায়ুসেনা ঘাঁটি। যার মধ্যে ছিল রাওয়ালপিন্ডি বিমানবন্দর। তাঁকেও বলতে শোনা গিয়েছিল, পাকিস্তান তার আগেই হামলার মতলব কষেছিল। কিন্তু তাদের হতভম্ব করে আগেই হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের সব রণকৌশল ব্যর্থ করে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। এবার সেই একই কথা বললেন ইশাক দারও।

Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রানুযায়ী, ভারতের প্রত্যাঘাতে সিঁটিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। অপারেশন সিঁদুরের পরই সংঘর্ষবিরতির জন্য দিল্লিকে ফোন করে ইসলামাবাদ। কিন্তু পাকিস্তানের এই প্রস্তাব যথেষ্ট সন্দেহজনক ছিল। কারণ, ততক্ষণে পাক সেনা নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোলাবর্ষণ শুরু করে দিয়েছিল। যদিও এরপর সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয় দুই দেশ। সংঘর্ষবিরতির কথা ঘোষণা করেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। সেই সময়ই হটলাইনে কথা হয়েছিল দুই দেশের ডিজিএমওর। আপাতত সংঘর্ষবিরতি চলছে। যদিও সংঘর্ষবিরতি শুরুর পরও তা লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। সেই সময় ডিজিএমও লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে সেনা কমান্ডারদের তা প্রতিহত করতে পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের সঙ্গী সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। তাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় কাশ্মীরের স্থানীয় এক জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন চালায় ভারত। পালটা হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে গিয়েছে পাকিস্তানের অন্তত ১১টি একধিক বায়ুসেনা ঘাঁটি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.