ভারত-পাক পরমাণু যুদ্ধে প্রাণ যাবে ১০ কোটির, মার্কিন রিপোর্টে চাঞ্চল্য

নেমে আসতে পারে তুষার যুগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ১১:৫১

options
link
ভারত-পাক পরমাণু যুদ্ধে প্রাণ যাবে ১০ কোটির, মার্কিন রিপোর্টে চাঞ্চল্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ ও বিশেষ মর্যাদা প্রত‌্যাহারের পর থেকেই ক্রমাগত যুদ্ধের হুমকি দিয়ে চলেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পরোক্ষে পরমাণু যুদ্ধের কথাও বলেছেন তিনি। তাঁর হুঁশিয়ারি, দু’দেশই পরমাণু শক্তিধর। তাই প্রয়োজনে ইসলামাবাদ পরমাণু অস্ত্র ব‌্যবহারে দ্বিধা করবে না। বাধ‌্য হয়ে পালটা পরমাণু হামলা চালাবে নয়াদিল্লিও। কিন্তু দুই প্রতিবেশী দেশের পুরোদস্তুর পরমাণু যুদ্ধের ফল কী হবে? মুহূর্তের মধ্যে প্রাণ হারাবেন দশ কোটি মানুষ। মার্কিন সমীক্ষকরা খতিয়ে দেখেছেন আর কী কী পরিণতি হতে পারে।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরাক, পুলিশের গুলিতে মৃত কমপক্ষে ৩৩ ]

চলতি বছরের হিসাবে উভয় দেশের কাছেই ১৪০ থেকে ১৫০ টি পরমাণু অস্ত্র আছে। ২০২৫ সালে ওই অস্ত্রের সংখ্যা দাঁড়াবে ২০০ থেকে ২৫০-তে। যুদ্ধ বাঁধলে এই দুই দেশই সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। আর তাতেই তৈরি হবে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। সায়েন্স অ্যাডভান্স নামে একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই রিপোর্ট। তা থেকে জানা যাচ্ছে, পরমাণু যুদ্ধ হলে শুধু ভারত ও পাকিস্তানই নয়, গোটা বিশ্বে মারাত্মক প্রভাব পড়বে। খাদ্যাভাব দেখা দেবে সারা বিশ্বে। বহু লোক অনাহারে মারা যাবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: বচসার জের, প্যারিসে চার পুলিশকর্মীকে কুপিয়ে খুন করল প্রশাসনিক কর্তা ]

সমীক্ষকরা জানিয়েছেন, আকাশে ১ কোটি ৬০ লক্ষ থেকে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টনের মতো কালো কার্বন কণা ছড়িয়ে পড়বে। সেই দূষণে ঢেকে যাবে সারা পৃথিবীর আকাশ। তৈরি হবে পুরু কার্বন কণার স্তর। তাতে আটকে যাবে সূর্যের আলো। তাপমাত্রা হু হু করে কমবে। বিজ্ঞানীরা নির্দিষ্ট করে বলেছেন, পরমাণু যুদ্ধ হলে সারা বিশ্বের তাপমাত্রা কমবে দুই থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির পরিমাণও প্রায় ১৫-৩০ শতাংশ কমে যাবে। যার প্রভাব পড়বে কৃষিকাজে, শিল্পে। প্রায় ৩০ শতাংশ কৃষিজমি উর্বরতা হারাবে। দেখা দেবে জলাভাব। অনাহারে মারা যাবেন প্রচুর মানুষ। কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ব্রায়ান টুন বলেন, কেবল কোটি কোটি মানুষই মারা যাবেন না, সারা বিশ্বে দেখা যাবে শৈত্যপ্রবাহ। প্রাগৈতিহাসিক যুগে আইস এজের ঠান্ডা নেমে আসবে পৃথিবীতে।

Advertisement

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.