Pakistan

‘ঔরঙ্গজেবের আমলেই একমাত্র ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল ভারত’, পাক মন্ত্রীর দাবি ঘিরে হাসির রোল

আজগুবি কথা বলায় খাজা আসিফের জুড়ি মেলা ভার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২৫, ১৪:৪২

options
link
‘ঔরঙ্গজেবের আমলেই একমাত্র ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল ভারত’, পাক মন্ত্রীর দাবি ঘিরে হাসির রোল
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের এক নতুন প্রতিভার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে বিশ্ব। তিনি নতুন করে ইতিহাস লিখছেন। সেই সব নয়া ইতিহাসের হাস্যকর বর্ণনা তাঁকে নেট দুনিয়ার নতুন ‘ট্রোলিং সাবজেক্ট’ করে তুলেছে। এবার তিনি দাবি করে বসলেন, ভারত কখনওই সত্যিকারের ঐক্যবদ্ধ ছিল না। ব্যতিক্রম ঔরঙ্গজেব।

Advertisement

এক পাকিস্তানি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”ইতিহাস সাক্ষী ভারত কখনও সত্যিকারের ঐক্যবদ্ধই হয়নি। একমাত্র ঔরঙ্গজেবের আমল ছাড়া। পাকিস্তানের সৃষ্টিই হয়েছিল আল্লার নামে। নিজেদের মধ্যে আমরা ঝগড়া করি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। কিন্তু ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় আমরা বরাবরই ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর এমন মনগড়া হাস্যকর যুক্তি ঘিরে নেটভুবনে হাসির রোল। ইতিহাস থেকে জানা যায় ঔরঙ্গজেবের আগে ও পরে বহুবার রাজনৈতিক ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এই দেশ। চতুর্থ খ্রিস্টপূর্বাব্দে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের আমলে গোটা দেশই প্রায় তাঁর শাসনাধীন হয়। সেটা মুঘল আমলের অনেক আগের কথা। পরবর্তী সময়ে সম্রাট অশোকের আমলে সাম্রাজ্য বাংলা থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। একই ভাবে সমুদ্রগুপ্ত, হর্ষবর্ধনের কথাও বলা যায়। এমনকী মুঘল আমলে আকবরের মতো সম্রাটও এসেছেন। আর স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আধুনিক ভারত গড়েই ওঠে গণতন্ত্রের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে। এই অবস্থায় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কী করে এমন হাস্যকর দাবি করলেন তাই নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

Advertisement

অবশ্য এই প্রথম নয়। আজব কথা বলায় প্রায় বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন খাজা আসিফ। এবং সেজন্য নিজের দেশকেও বেকায়দায় ফেলেছেন। পাকিস্তান বরাবরই অস্বীকার করেছে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার বিষয়টি। কিন্তু অপারেশন সিঁদুরের সময় আসিফ স্বীকার করে নেন জঙ্গিদের পরিবারের সদস্যরা পাকিস্তানেই বসবাস করেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “পাকিস্তান যে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, একথা সত্য। আন্তর্জাতিক মহল বারবার পাকিস্তানকেই দায়ী করে এসেছে। এটা ঠিক যে জঙ্গিদের পরিবারের সদস্যরা পাকিস্তানেই বসবাস করেন। কিন্তু পাকিস্তানের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনও সম্পর্ক নেই।” এমন দাবি করে কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছিল খাজাকে। কিন্তু তিনি যে এতে আমল দেওয়ার লোক নন, তা পরবর্তী সময়ে বারবার প্রমাণ হয়েছে তাঁর অসংলগ্ন কথায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.