সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেড়াতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল মার্কিন প্রবাসী ভারতীয় পরিবারটি। শেষপর্যন্ত টানা এক সপ্তাহ ধরে খোঁজ খবর করার পর পরিবারের দু’জনের ডুবন্ত দেহ উদ্ধার হল ইয়েল নদী থেকে। নদীর মধ্যে ডুবে যাওয়া এসইউভি গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে দেহ। মৃতদের একজনের নাম সন্দীপ থোট্টাপিল্লি অন্যজন তাঁর নবছরের শিশুকন্যা সাচি। মাত্র দুদিন আগেই তাঁদের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীরা খুঁজে পেয়েছেন সন্দীপের স্ত্রীর সৌম্যর দেহও। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ওই দম্পতির ছেলে সিদ্ধান্তের কোনও খোঁজ মেলেনি। ওই পরিবারটি আমেরিকার অরেগন থেকে ক্যালিফোর্নিয়া যাচ্ছিল। তাঁরা মেরুন রঙের হুন্ডা পাইলট নিয়েই বেড়াতে বেরিয়েছিলেন বলে খবর।
[ফের সিরিয়ায় হামলা হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবধারিত, চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি পুতিনের]
স্থানীয় সান হোসে থানার পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভবত কোনও পারিবারিক বন্ধুর বাড়িতেই যাচ্ছিলেন সন্দীপ থোট্টাপল্লি। ছয় এপ্রিল সেখানে পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু সেখানে তাঁরা পৌঁছননি। পাঁচ এপ্রিল ডেল নোর্টে কাউন্টিতে ওই পরিবারিটেক শেষবারের মতো দেখা যায়। আদতে গুজরাটের সুরাটের বাসিন্দা সন্দীপ গত ১৫ বছর ধরে আমেরিকাতেই বসবাস করছিলেন।
We want to let our community know, we are aware of the #Missing Family Story that @SCVSignal published. SCV Sheriff’s Station is in contact with San Jose PD, who is handling the case. We will provide updates when we receive more info. #LASD https://t.co/0mxNg9ln9O
Advertisement— SCV Sheriff (@SCVSHERIFF) April 10, 2018
এসিউভি গাড়িটি যে জলের মধ্যে রয়েছে, তা ইয়েল নদীতে পারাপারকারী এক নৌকোর আরোহীরাই প্রথমে লক্ষ্য করেন। নৌকোটি থেকে এক দু’মাইল উত্তরে জলে ডুবেছিল এসইউভি। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়। তার ভিত্তিতে তল্লাশি অভিযানে নামে ডুবুরিরা। চার থেকে ছ’ফুট জলের গভীরেই এসইউভি-র সন্ধান পাওয়া যায়। গাড়ি দেখার পরেই ডুবুরিদের মনে হয়েছিল ভিতরে কেউ আটকে আছে। সেইমতো তল্লাশি শুরু হলে সন্দীপ ও তাঁর মেয়েকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সকাল ১১.৩০ মিনিটে উদ্ধারকার্য শুরু হওয়ার পর সন্ধ্যে ৬.৩০ মিনিট নাগাদ এসইউভি-কে আংশিকভাবে নদী থেকে তোলা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে গাড়ি থেকে দুটি দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে কি করে পারিবারিক গাড়ি হন্ডা পাইলট ছেড়ে থোট্টাপিল্লি পরিবার এসইউভি-তে চড়ে বসল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাড়ির মধ্যে মেয়ে ও বাবা থাকলেও স্ত্রীর দেহ কেন বাইরে উদ্ধার হল তা নিয়েও ধন্দে রয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে গোটা পরিবারকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেলেও ছেলে সিদ্ধান্ত যে কোথায় তা জানা যায়নি। সে আদৌ জীবিত কিনা, তার স্বপক্ষেও কোনও প্রমাণ মেলেনি। বেড়াতে বেরিয়ে তাঁরা ঠিক কোথায় গিয়েছিলেন তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
[রাখাইনে ফিরে গেল একটি রোহিঙ্গা পরিবার]
সর্বশেষ খবর
-
হরমুজ এবার ট্রাম্প প্রণালী! ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই গর্জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের
-
কখনও জলে ডুবে, কখনও ঠায় শুয়ে, আচমকা কী হল ‘রামলালে’র?
-
বয়স ভাঁড়ানোর অপরাধে ‘বাংলা’র ক্রিকেটারকে দু’বছরের নির্বাসনে পাঠাল বোর্ড
-
পুজোর আগে বেহাল পিচ রাস্তা মেরামত, বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে কী জানালেন পুর ইঞ্জিনিয়াররা?
-
প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদেশে ত্রিশতরান! দক্ষিণ আফ্রিকায় ইতিহাস হৃদয়ের