USA Iran War

১০ লক্ষ সৈনিকের ফৌজ তৈরি! ইরানে মার্কিন সেনা নামলেই ‘নরক’ বানাতে প্রস্তুত যুবসমাজ

হাজার হাজার মানুষের ভিড় আছড়ে পড়ছে সেনার কেন্দ্রগুলিতে। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধের জন্য তৈরি করে ফেলা হয়েছে। মার্কিন সেনা ইরানে ঢুকলে তাদের জন্য 'নরক' তৈরি করবে এই ১০ লক্ষ সেনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৩:১৮

options
link
১০ লক্ষ সৈনিকের ফৌজ তৈরি! ইরানে মার্কিন সেনা নামলেই ‘নরক’ বানাতে প্রস্তুত যুবসমাজ
সূত্রের খবর, অন্তত ১০ লক্ষ সেনার ফৌজ তৈরি করছে ইরান। ছবি: সংগৃহীত।

মাসদুয়েক আগেই আয়াতোল্লা শাসনের প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল ইরানের যুবসমাজ। কিন্তু মার্কিন আক্রমণের মধ্যে সেই প্রতিবাদ কার্যত ভুলেছে ইরান। বরং আয়াতোল্লা শাসন বজায় রাখার জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত আমজনতা। সূত্রের খবর, অন্তত ১০ লক্ষ সেনার ফৌজ তৈরি করছে ইরান। যদি আমেরিকা ইরানের (US Iran War) বুকে সেনা পাঠায়, তাহলে তাদের নারকীয় অভিজ্ঞতা ‘উপহার’ দিতে চলেছে এই বাহিনী।

Advertisement

ইরানের সংবাসংস্থা তাসনিম নিউজ সূত্রে খবর, ইরান রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস, বাসিজ বাহিনী এবং ইরান সেনার নানা কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন ইরানের আমজনতা। হাজার হাজার মানুষের ভিড় আছড়ে পড়ছে সেনার কেন্দ্রগুলিতে। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধের জন্য তৈরি করে ফেলা হয়েছে বলেই জানিয়েছে তাসনিম নিউজ। প্রাথমিকভাবে অনুমান, অন্তত ১০ লক্ষ সেনার বাহিনী তৈরি আছে ইরানের হাতে। যদি মার্কিন সেনা ইরানে ঢোকে, তাহলে এই তাদের জন্য ‘নরক’ তৈরি করবে এই ১০ লক্ষ সেনা, এমনটাই সূত্রের খবর।

Advertisement

দিনকয়েক আগেই জানা গিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে সেনা পাঠানোর চিন্তাভাবনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে বলা হয়, ইরানের শাসন ব্যবস্থাকে উপরে ফেলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আমেরিকা। সেই লক্ষ্যে এবার মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার সেনা পাঠানোর চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও এই গোটা বিষয় নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্তা জানিয়েছেন, “এই মুহূর্তে মধ্যেপ্রাচ্য কিংবা ইরানে সেনা পাঠানো নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সমস্ত দিক বিবেচনা করছেন।”

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে ইরানে স্থল অভিযান ওয়াশিংটনের জন্য যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। ২০০৩ সালে যখন ইরাকে সেনা পাঠিয়েছিল আমেরিকা তখন পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। ইরান অনেক বড় দেশ, জনসংখ্যা বেশি এবং তাদের সামরিক পরিকাঠামোও অনেক বেশি সংগঠিত এবং উন্নত। এছাড়াও ইরানের পাশে দাঁড়াবে লেবাননের হেজবুল্লা এবং ইয়েমেনের হাউথি-র মতো সসস্ত্র সংগঠনগুলি। এবার জানা গেল, নিজেদের সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করছে ইরানও। উল্লেখ্য, এই সেনার সর্বোচ্চ প্রধান স্বয়ং আয়াতোল্লা, যাঁকে উৎখাত করতে পথে নেমেছিলেন ইরানের হাজার হাজার মানুষ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.