Lebanon

কিছুই অবশিষ্ট নেই, ইজরায়েলের হামলায় ‘শ্মশানে’ পরিণত লেবাননের আস্ত গ্রাম!

দ্য গার্ডিয়ানের মতে, সোশাল মিডিয়ায় ওই বিস্ফোরণের একাধিক ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, কীভাবে ইজরায়েল লেবানন সীমান্তে অবস্থিত তাইবে, নাকুরা এবং দের সেরিয়ান গ্রামে বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে ইজরায়েল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ২০:০৬

options
link
কিছুই অবশিষ্ট নেই, ইজরায়েলের হামলায় ‘শ্মশানে’ পরিণত লেবাননের আস্ত গ্রাম!
ইজরায়েলের হামলায় ধংসস্তুপে পরিণত লেবানন।

দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়ে গোটা গ্রাম ধ্বংস করে দিয়েছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। জানা যাচ্ছে, লেবাননের ওই অঞ্চলে আগে থেকে বিস্ফোরক পুঁতে রেখেছিল ইজরায়েলের সেনা। এরপর দূর থেকে বড়সড় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গোটা গ্রাম মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়। সংবাদ সংস্থা দ্য গার্ডিয়ানের মতে, সোশাল মিডিয়ায় ওই বিস্ফোরণের একাধিক ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, কীভাবে ইজরায়েল লেবানন সীমান্তে অবস্থিত তাইবে, নাকুরা এবং দের সেরিয়ান গ্রামে বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে ইজরায়েল। লেবাননের সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী আরও একাধিক গ্রামে এই ধরনের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে ইজরায়েল।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, গাজার রাফাহ এই একই নীতি অনুসরণ করেছিল ইজরায়েল। ঠিক সেই ছকেই এই হামলা চালানো হয় লেবাননে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলির ৯০ শতাংশ বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে এই হামলায়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গাজার মাটিতে গণহত্যা চালানোর সময় একইভাবে সেখানে ধ্বংস করে দেওয়া হয় সমস্ত ঘরবাড়ি। এই নীতিকে বলা হয়ে থাকে ‘ডোমিসাইড’ বা ‘গৃহধ্বংস’। যার নীতি হল, পরিকল্পিতভাবে সব ঘরবাড়ি ধ্বংস করা যাতে আবাসনগুলি বসবাসের অযোগ্য হয়ে ওঠে। ইজরায়েল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে তারা দক্ষিল লেবাননের একটি বড় অংশ দখল করবে। এবং লিতানি নদী পর্যন্ত একটি নিরাপদ অঞ্চল তৈরি করা হবে। ইজরায়েলের উত্তরের শহরগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত লেবাননের বাস্তুচ্যুতদের ঘরে ফিরতে দেওয়া হবে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গাজার মাটিতে গণহত্যা চালানোর সময় একইভাবে সেখানে ধ্বংস করে দেওয়া হয় সমস্ত ঘরবাড়ি। এই নীতিকে বলা হয়ে থাকে ‘ডোমিসাইড’ বা ‘গৃহধ্বংস’।

ইজরায়েলের এহেন আগ্রাসন প্রসঙ্গে মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, দূর থেকে হামলা চালিয়ে ভয়াবহ এই ধ্বংসযজ্ঞ যুদ্ধাপরাধের শামিল। যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী, বৈধ সামরিক কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক বাড়িঘর ধ্বংস করা নিষিদ্ধ। তবে ইজরায়েলের দাবি, ওইসব অঞ্চলের বাড়ির নিচে বহু সুড়ঙ্গ রয়েছে। যেগুলি হেজবোল্লার মতো সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি।

Advertisement

উল্লেখ্য, লেবাননে ইজরায়েলের এই হামলা চলে আমেরিকার তরফে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরদিনই। লেবাননে একের পর এক হামলা চালায় ইজরায়েল। সেই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়ায় ২৫০। আহত প্রায় ১ হাজার ১৬৫ জন। হামলা এখানেই শেষ হয়নি। এই হামলার দু’দিন পর ফের হামলা চলে লেবাননের অন্তত দু’টি শহরে। লাগাতার সেই হামলায় ধ্বংস হয়েছে ওই অঞ্চলের ৯০ শতাংশের বেশি ঘরবাড়ি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.