Israel

সমস্ত পরিকল্পনা তৈরি! যুদ্ধবিরতির মাঝেই যেকোনও সময় লড়াইয়ে ফেরার হুঙ্কার নেতানিয়াহুর

চুক্তি লঙ্ঘন করা নিয়ে একে ওপরকে দুষছে ইজরায়েল-হামাস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫, ২০:১৫

options
link
সমস্ত পরিকল্পনা তৈরি! যুদ্ধবিরতির মাঝেই যেকোনও সময় লড়াইয়ে ফেরার হুঙ্কার নেতানিয়াহুর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি চলছে গাজায়। চুক্তি অনুযায়ী হামাসের ডেরা থেকে মুক্তি পাচ্ছে ইজরায়েলের পণবন্দিরা। জেলবন্দি প্যালেস্তিনীয়দেরও ছেড়ে দিচ্ছে ইজরায়েলি প্রশাসন। কিন্তু চুক্তি লঙ্ঘন করা নিয়ে একে ওপরকে দুষছে দুপক্ষই। এর মাঝেই কয়েকদিন আগে তেল আভিভে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যা নিয়ে রেগে লাল ইজরায়েল। বাকি পণবন্দিদের নিয়েও বাড়ছে চাপানউতোর। এই পরিস্থিতিতে সেদেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হুঙ্কার দিলেন, সমস্ত পরিকল্পনা তৈরি। যেকোনও সময় যুদ্ধে ফিরতে পারে ইজরায়েল।

Advertisement

এএনআই সূত্রে খবর, সোমবার ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে বক্তব্য রাখার সময় ফের একবার যুদ্ধে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “কোনও বাছাই নয়, আমরা সব পণবন্দির মুক্তি চাই। সব বন্দিরা বাড়ি ফিরে আসবেন। হামাস কখনও গাজা শাসন করতে পারে না। আমরা ওই দানবদের পরাজিত করবই। আমরা এটা করবই। মনে রাখবেন, সমঝোতার পথে হেঁটে কখনও জয় আসে না। অন্য পথে জয় ছিনিয়ে নিতে হয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিজের বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, “ইজরায়েলকে প্রয়োজনীয় হাতিয়ার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। যা ইজরায়েলের প্রতিরক্ষায় ও ফৌজকে আরও আক্রমণাত্মক হতে সাহায্য করবে। ওই অস্ত্রের সাহায্যেই আমরা জয়লাভ করব।”

Advertisement

উল্লেখ্য, দিন চারেক আগেই দুই শিশু ও তাদের মা-সহ চারজন ইজরায়েলি পণবন্দির কফিনবন্দি দেহ ইজরায়েলে পৌঁছয়। যার পর গোটা দেশে শোকের কালো ছায়া নেমে আসে। হামাসকে ‘দানব’ বলে কটাক্ষ করে নেতানিয়াহু বলেন, ‘খুনি’দের ধ্বংস করবে তেল আভিভ। পাশাপাশি নেতানিয়াহুকে বলতে শোনা যায়, ”আমরা সবাই হামাসের দানবদের উপর ক্ষুব্ধ। আমরা সমস্ত পণবন্দিদের ফিরিয়ে দেব। ধ্বংস করব খুনিদের, হামাস এবং সকলকেই। ঈশ্বরের সহায়তায় আমরা আমাদের ভবিষ্যৎকে সুনিশ্চিত করব। আমাদের হৃদয় ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু আমাদের আত্মায় কোনও ভাঙন নেই।”

গত ১৯ জানুয়ারি ইজরায়েল ও গাজার মধ্যে কার্যকর হয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি। আর সেই চুক্তিমতো প্রথমেই তিন বন্দিকে রেডক্রসের হাতে তুলে দেয় হামাস। অন্যদিকে, ৯০ জন প্যালেস্তিনীয় বন্দিকে মুক্তি দেয় ইজরায়েল। এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে ১৯ জন জীবিত ইজরায়েলি পণবন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ১ হাজার ১০০ জন প্যালেস্তিনীয় বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে ইজরায়েল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামলা চালায় হামাস। সেই সময় সব মিলিয়ে ২৫১ জন ইজরায়েলিকে পণবন্দি করে তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন