দুর্নীতি মামলায় জেরবার, ব্রিটিশ আইনজীবীর শরণাপন্ন খালেদা জিয়া

দেশের আইনজীবীদের উপর কি আস্থা হারাচ্ছেন বিএনপি নেত্রী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০১৮, ১৮:০৯

options
link
দুর্নীতি মামলায় জেরবার, ব্রিটিশ আইনজীবীর শরণাপন্ন খালেদা জিয়া

সুকুমার সরকার, ঢাকা: একাধিক দুর্নীতি মামলায় জেরবার বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। কয়েকদিন আগেই ‘জিয়া অরফানেজ’ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি। তাই এবার আর দেশের আইনজীবীদের উপর ভরসা রাখতে পারছেন না বিএনপি নেত্রী। এবার ওই মামলা লড়ার জন্য ব্রিটিশ আইনজীবী নিয়োগ করেছেন তিনি। এবার থেকে ‘জিয়া অরফানেজ’ মামলা সামলাবেন ব্রিটেনের আইনজীবী লর্ড আলেকজান্ডার চার্লস কারলাইন।

Advertisement

[কোনও সমস্যা নেই, অভিশপ্ত বিমানের শেষ বার্তায় রহস্য আরও গভীরে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মঙ্গলবার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “লর্ড কারলাইন আন্তর্জাতিক আইন মেনেই খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের পরামর্শ দেবেন। কারলাইন দীর্ঘদিন ধরে ব্রিটেনের রাজনীতি ও আইন পেশার সঙ্গে জড়িত। প্রয়োজনে তিনি বাংলাদেশেও আসতে পারেন। আমরা তাঁকে পেয়ে আনন্দিত। ব্রিটে‌নে যারা আমা‌দের সমর্থক র‌য়ে‌ছেন তাঁদের সঙ্গে আলোচনা ক‌রে তাঁকে নি‌য়োগ করা হ‌য়েছে। খালেদা জিয়ার বিরু‌দ্ধে ৩৬টি মামলার ম‌ধ্যে এক‌টি মামলায় সাজা ঘোষণা  হ‌য়ে‌ছে। তবুও তাঁকে জামিন দেওয়া হয়নি। এতে প্রমা‌ণিত হয় দে‌শে আই‌নের শাসন নেই।”

Advertisement

দেশের আইনজীবিদের উপর কি ভরসা রাখতে পারছেন না বিএনপি নেত্রী? এই প্রশ্নের জবাবে ইসলাম বলেন, “আমাদের আইনজীবীরা পর্যাপ্ত নন। কারলাইন আমা‌দের লিগ্যাল ডি‌ফেন্স টিম‌কে সাহায্য কর‌বেন। তি‌নি ফৌজদারি মামলায় পারদ‌র্শী। এছাড়াও এর মাধ্য‌মে মামলা‌টি আন্তর্জা‌তিক মঞ্চে তু‌লে ধরা যা‌বে। লর্ড কারলাইন নিজেও এই মামলায় যুক্ত হ‌তে পে‌রে আনন্দিত হয়েছেন।”

গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি মামলায় জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। একই সঙ্গে তাঁর ছেলে তারেক রহমান-সহ পাঁচ দোষী সাব্যস্তকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-সহ অন্য দোষীরা অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। খালেদা প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ১৯৯১ সালের ৯ জুন থেকে ১৯৯৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই অর্থ দেশের প্রতিষ্ঠিত কোনও এতিমখানায় না দিয়ে অস্তিত্ববিহীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট গঠন করেন।

[একাত্তরের গণহত্যার স্মরণে অন্ধকার থাকবে বাংলাদেশ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.