সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৩৭ দিন ধরে খলিস্তানি নেতা (Khalistani Leader) অমৃতপাল সিংকে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করেছিলেন। লন্ডনের (London) দূতাবাসে ভারতীয় পতাকা ছিঁড়ে খলিস্তানি পতাকা উত্তোলনের নেপথ্যেও তার হাত ছিল। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বার্মিংহ্যামের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে সেই নেতা অবতার সিং খাণ্ডা ওরফে রাঞ্জোধ সিংয়ের। বিষ খাইয়ে তাকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি।
ভারতের অন্যতম প্রধান খলিস্তানি নেতা অমৃতপাল সিংকে (Amritpal Singh) শীর্ষপদে বসানোর জন্য তৈরি করেছিল অবতার। চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসে অমৃতপালকে ধরার জন্য লাগাতার অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। সেই সময় বিদেশের মাটিতে বসেও অমৃতপালের লুকিয়ে থাকার সমস্ত ব্যবস্থা করেছিলেন অবতার। এমনকি অমৃতপাল যেন ভারত ছেড়ে বিদেশে পালাতে পারেন, তার পরিকল্পনাও করেছিলেন এই খলিস্তানি নেতা।
[আরও পড়ুন: সঙ্গে ৪০০ গাড়ির কনভয়! সাইরেন বাজিয়ে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে সিন্ধিয়া অনুগামী নেতা]
অমৃতপালকে সাহায্য করা ছাড়াও লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে অবতারের বিরুদ্ধে। ভারতীয় পতাকা খুলে নামিয়ে দিতে খলিস্তানি হলুদ পতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হয় ভারতীয় হাই কমিশনের দপ্তরে। এই ঘটনার মূল চক্রী হিসাবে অবতারকে চিহ্নিত করে এনআইএ। আরও তিনজনকে মূল অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত করলেও কাউকে ধরা যায়নি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার অবতারের মৃত্যু হয়েছে।
তবে সরকারিভাবে এই মৃত্যু প্রসঙ্গে কিছু জানা যায়নি। শোনা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই ব্লাড ক্যানসারে ভুগছিলেন অবতার। সেই জন্যই বার্মিংহ্যামের সিটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, হয়তো বিষ খাওয়ানো হয়েছে অবতারকে।
[আরও পড়ুন: নিরাপত্তা বলয় ভেঙে তেড়ে এল বাইক, বড়সড় বিপদ থেকে রক্ষা নীতীশ কুমারের]
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ