Lashkar

খাবারে লুকিয়ে মৃত্যুবাণ! পাক মসজিদে লস্কর কামান্ডারকে খতম করল কোন ‘ধুরন্ধর’?

সম্প্রতি পাকিস্তানে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের গুলিতে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ৩০ লস্কর জঙ্গি। রিজওয়ান হানিফ নামে এক লস্কর জঙ্গির একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। সেখানে সে দাবি করেছে, গত তিন থেকে চার বছরে মধ্যে তাদের নিষিদ্ধ সংগঠনের অসংখ্য সদস্যের ‘রহস্যমৃত্যু’ হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৭:৩৮

options
link
খাবারে লুকিয়ে মৃত্যুবাণ! পাক মসজিদে লস্কর কামান্ডারকে খতম করল কোন ‘ধুরন্ধর’?
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত।

ইসলামাবাদে রহস্যমৃত্যু লস্কর-ই-তইবার এক শীর্ষ কামান্ডারের। তার নাম কারী সাঈদ আব্দুল আজিজ। জানা যাচ্ছে, এক রেস্তরাঁয় খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় তার। প্রশ্ন উঠছে, খাবারের মধ্যেই কি তাহলে লুকিয়ে ছিল ‘মৃত্যুবাণ’?

Advertisement

একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আব্দুল নিয়মিত কুবা মসজিদে নামাজ পড়তে যেত। কয়েক দিন আগে একটি খাবারের দোকানে খাওয়াদাওয়া সেরে নামাজের জন্য সে কুবা মসজিদে যায়। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর পরই মসজিদের দরজার সামনে আচমকা লুটিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় আব্দুল। কিন্তু কী কারণে তার মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জানা গিয়েছে, আব্দুল দীর্ঘদিন ধরে লস্করের সদস্য ছিল। জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত জঙ্গি পরিবারগুলিকে সে সহায়তা করত। কিন্তু লস্কর কমান্ডারকে খতম করল কোন ‘ধুরন্ধর’? তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

সম্প্রতি পাকিস্তানে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের গুলিতে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ৩০ লস্কর জঙ্গি। রিজওয়ান হানিফ নামে এক লস্কর জঙ্গির একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। সেখানে সে দাবি করেছে, গত তিন থেকে চার বছরে মধ্যে তাদের নিষিদ্ধ সংগঠনের অসংখ্য সদস্যের ‘রহস্যমৃত্যু’ হয়েছে। ২০০৮ সালে মুম্বই জঙ্গি হামলায় ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই হামলা জড়িত ছিল লস্কর। ওই সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্যরাই খুন হয়েছেন ও হচ্ছেন পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে। জানা গিয়েছে, পেশোয়ার, করাচি, রাওয়ালপিন্ডি, রাওয়ালকোট ও মুজাফফরাবাদে অজ্ঞাত হামলাকারীর হাতে ৩০ জনেরও বেশি লস্কর জঙ্গি নিহত হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.