Myanmar

মায়ানমারে মুক্ত ৬ হাজার বন্দি, ‘প্রহসনের নির্বাচনে’ আস্থা ফেরানোর চেষ্টা জুন্টার?

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নির্বাচনের নামে চলা প্রহসনে আস্থা ফেরানোর মরিয়া প্রচেষ্টা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:০১

options
link
মায়ানমারে মুক্ত ৬ হাজার বন্দি, ‘প্রহসনের নির্বাচনে’ আস্থা ফেরানোর চেষ্টা জুন্টার?
ছবি সংগৃহীত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাঁচ বছরে প্রথমবার নির্বাচন হতে চলেছে মায়ানমারে। তিন দফায় হবে ভোট। ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন। তবে ভোটে লড়ছে না নোবেলজয়ী অং সান সু চির সরকার। এই অবস্থায় বার্ষিক ক্ষমা প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রায় ৬ হাজার রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দিতে চলেছে জুন্টা। দেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে এই কাজ করা হবে বলে রবিবার জানিয়েছে সামরিক জুন্টা। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী দুই দফার নির্বাচনের আগে এই বন্দিমুক্তি আসলে নির্বাচনের নামে চলা প্রহসনের প্রতি মানুষ এবং বিশ্বের আস্থা ফেরানোর এক মরিয়া প্রচেষ্টা।

Advertisement

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আং সান সু কি-র সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে। এরপর থেকেই হাজার হাজার বিক্ষোভকারী এবং রাজনৈতিক কর্মীকে গ্রেপ্তার করে জুন্টা। জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জুন্টা প্রধান মিন অং হ্লাইং ৬ হাজার ১৩৪ জন কারাবন্দী নাগরিককে ক্ষমা করেছেন। একটি পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৫২ জন বিদেশী বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ব্রিটিশ উপনিবেশের হাত থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার ৭৮ বছরকে স্মরণীয় করে রাখতে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রবিবার ইয়াঙ্গনের ইনসেইন কারাগারের বাইরে বহু মানুষ তাদের পরিবারের সদস্যদের মুক্তির জন্য অপেক্ষা করে ছিলেন। তাঁদের হাতে ছিল বন্দিদের নাম লেখা কাগজ। জেলে বাইরে এক ব্যক্তি জানান, “আমি আমার বাবার মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছি। রাজনীতি করার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “তার সাজা শেষ হতে চলেছে। আমি আশা করি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাঁকে মুক্তি দেওয়া হবে।”

Advertisement

গৃহযুদ্ধে রক্তাক্ত মায়ানমার। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাধারণ নির্বাচন। তবে ভোটে লড়ছে না নোবেলজয়ী অং সান সু চির সরকার। শেখ হাসিনার মতো তিনিও ‘নির্বাসিত’। বিশেষজ্ঞদের মতে এই নির্বাচন পাঁচ বছরের সেনা শাসনে প্রায় ভাঙতে বসা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারবে না। কঠোর সামরিক শাসনের ফলে তৈরি হওয়া ধ্বংসাত্মক গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারবে না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই নির্বাচনের মাধ্যমে সেদেশে গণতন্ত্র ফেরানোর কোনও প্রচেষ্টা করছে না সেনা। বদলে একটি পুতুল সরকারের মাধ্যমে ক্ষমতার উপরে তাদের হাত আরও শক্ত হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন