Nepal PM Balendra Shah

‘আমরাও ভারতের জমি দখল করেছি’, সংসদে বিস্ফোরক দাবি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্রর

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন, "জমিজটের বিষয়টি শুধু ভারত ও চিনের সঙ্গেই নয়, ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। আমরা মনে করি, ব্রিটেনেরও এই বিষয়ে আগ্রহ দেখানো উচিত। কারণ এই বিরোধের সূত্রপাত সেই সময় থেকে।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৬, ১৩:৩৩

options
link
‘আমরাও ভারতের জমি দখল করেছি’, সংসদে বিস্ফোরক দাবি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্রর
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। ফাইল ছবি

‘ভারত শুধু নেপালের জমি দখল করেনি, নেপালও ভারতের কিছু ভূখণ্ড দখল করেছে।’ রবিবার সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ (Nepal PM Balendra Shah)। তবে একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, এখন উভয় দেশের উচিত এই বিষয়ে যৌথভাবে তদন্ত করা। বলেন্দ্রর এহেন মন্তব্য সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দুই মাস পর প্রথমবার নেপালের সংসদে ভাষণ দিচ্ছিলেন বলেন্দ্র। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানেই এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি জমি দখলের এই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারেন। শুধু তাই নয়, কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরার অঞ্চলের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই বিরোধের সমাধান করা হবে। নেপাল ইতিমধ্যে এই বিষয়ে ভারতকে একটি কূটনৈতিক নোট পাঠিয়েছে এবং ভারতের কাছ থেকে তার জবাবও পেয়েছে।

Advertisement

কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরার অঞ্চলের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই বিরোধের সমাধান করা হবে।

বলেন্দ্রর মতে, সমস্যা সমাধানে দুই দেশ যৌথভাবে একটি দল গঠন করবে। যেখানে জরিপ বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি থাকবেন এলাকা সম্পর্কে পরিচিত ব্যক্তিরা। এখানেই আলোচনার মাধ্যমে যাবতীয় সমস্যার নিরসন হবে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে চিন ও ব্রিটেন প্রশাসনের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “জমিজটের বিষয়টি শুধু ভারত ও চিনের সঙ্গেই নয়, ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। আমরা মনে করি, ব্রিটেনেরও এই বিষয়ে আগ্রহ দেখানো উচিত। কারণ এই বিরোধের সূত্রপাত সেই সময় থেকে, যখন ব্রিটিশরা এখান থেকে চলে যায়।”

Advertisement

উল্লেখ্য, ভারত-নেপাল সীমান্তবর্তী লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা ও কালাপানি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত। ২০২০ সালের জুন মাসে নেপালের সংসদ একটি নতুন মানচিত্র অনুমোদন করেছিল, যেখানে এই এলাকাগুলোকে নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল, ”নেপালের দাবি ভিত্তিহীন। ভারত কোনওভাবেই এই দাবিকে মান্যতা দেয় না।” এই ঘটনার পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েনও তৈরি হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.