Nepal Unrest

নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে সুশীলাকেই সমর্থন বলেন্দ্রর! কুরসি প্রাপ্তি সময়ের অপেক্ষা?

কী জানালেন বলেন্দ্র?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ১৪:২৩

options
link
নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে সুশীলাকেই সমর্থন বলেন্দ্রর! কুরসি প্রাপ্তি সময়ের অপেক্ষা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেপালের (Nepal) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকিকেই (Sushila Karki) চান কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ (Balendra Shah)। বুধবার রাতে তিনি সমাজমাধ্যমে কারকিকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। কেপি শর্মা ওলির পতনের অন্তর্বতী নেতা হিসাবে প্রাথমিকভাবে বলেন্দ্রর নামই উঠছিল। কিন্তু জানা যায়, আন্দোলনকারীদের তরফে তাঁর সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। বলেন্দ্রর পরে সবচেয়ে বেশি সমর্থন মেলে কারকির পক্ষে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাতেই নিজের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট করলেন কাঠমান্ডুর মেয়র।

Advertisement

এদিন সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে বলেন্দ্র লেখেন, ‘দেশ এবার সোনালী ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। জেন জি-সহ নেপালের সকল নাগরিককে দেশে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা কেউ আতঙ্কিত হবেন না। ধৈর্য ধরুন। নেপাল একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করতে চলেছে, যা দেশের নতুন নির্বাচন পরিচালনা করবে। নির্বাচন পরিচালনার পাশাপাশি এই অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ হল দেশকে নতুন দিশা দেখানো।’ এরপরই তিনি লেখেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে আপনারা প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব করেছেন। আপনাদের এই সিদ্ধান্তে আমার পূর্ণ সমর্থন এবং সম্মান রয়েছে।’ ‘জেন জি’র এই ঐতিহাসিক বিপ্লব রক্ষা করার জন্য তিনি নেপালের প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌডেলকে সংসদ ভেঙে দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

বলেন্দ্র, কারকি ছাড়াও ‘জেন জি’-র ভারচুয়াল বৈঠকে উঠে এসেছিল আরও কিছু নাম। তাঁরা হলেন নেপালের বিদ্যুৎ পরিষদের প্রধান কুলমন ঘিসিং, যুব নেতা সাগর ধাকাল এবং ধারানের মেয়র হারকা সামপাং প্রমুখ। উল্লেখ্য, কারকি সম্মতি দিলেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না তিনি। এর জন্য প্রথমে তাঁকে সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গে দেখা করতে হবে। এরপর প্রেসিডেন্ট পৌডেলের অনুমোদন দিলে তবেই কুরসিতে বসতে পারবেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। এরপর কী শান্তি ফিরবে বুদ্ধের দেশে? উত্তর দেবে সময়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.