সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়। ফের সামনে এল খ্রিস্টানদের উপরে অত্যাচারের বিষয়টি। জানা গিয়েছে, গত বুধবার উন্মত্ত জনতা পাঞ্জাব প্রদেশের (Punjab province) জারানওয়ালায় চড়াও হয় সংখ্যালঘু খ্রিস্টানদের উপরে। শয়ে শয়ে খ্রিস্টান পাক নাগরিক দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।
জানা যাচ্ছে, ভাঙা পড়েছে ৮৭টি বাড়ি। তাঁদের জিনিসপত্র রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আগুন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১৯টি চার্চ। ইতিমধ্যেই ১২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: চাইলেই ভাড়াটেদের সরানো যাবে না, পাবেন নতুন বাড়িতে জায়গাও, নয়া আইন পুরসভার]
কিন্তু কেন এমন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল? অভিযোগ, এক মুসলিম ধর্মগুরু মসজিদের লাউডস্পিকারে খ্রিস্টানদের বাড়ি ভাঙার উসকানি দেন। আর তাতে খেপে ওঠে জনতা। এই পরিস্থিতিতে পাঞ্জাব পুলিশের প্রধান উসমান আনওয়ার এফপিকে জানিয়েছেন, ”যে ঘটনা ঘটেছে তা মর্মান্তিক। এই ধরনের হিংসাকে বরদাস্ত করা হবে না।’
গতকাল, শুক্রবারই পাঞ্জাব প্রদেশের ৩ হাজার ২০০টি চার্চে পুলিশ প্রহরা রাখা হয়েছে। যেনতেন প্রকারেণ এই নির্যাতন রুখতে প্রশাসন যে মরিয়া তা জানানো হয়েছে। পাক সরকার ও ধর্মীয় নেতারা সকলকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন।
[আরও পড়ুন: লাগাতার ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন, ক্ষুব্ধ যাত্রীরা, রাজনৈতিক চাপেই কি কাজে দ্রুততা? উঠছে প্রশ্ন]
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি