Babri Masjid

অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ গড়বে পাক সেনা! সংসদে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পাক সেনেটরের

'ভারতের শিখ সৈনিকরা মোটেও পাকিস্তানকে আক্রমণ করবে না', বিভাজনমূলক মন্তব্য ওই সেনেটরের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৫, ২৩:০৬

options
link
অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ গড়বে পাক সেনা! সংসদে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পাক সেনেটরের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবরি মসজিদ তৈরি হবে অযোধ্যায়। সেই মসজিদ স্থাপনের প্রথম ইঁট গাঁথবেন পাক সৈনিকরা। মসজিদের প্রথম আজান দেবেন পাক সেনাপ্রধান। সংসদে দাঁড়িয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন পাক সেনেটর পালওয়াশা মহম্মদ জাই খান। পহেলগাঁও হামলার পরে ইতিমধ্যেই ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উত্তেজনা বাড়ছে। তার মধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন পাক সেনেটর।

Advertisement

মঙ্গলবার পাক সংসদের উচ্চকক্ষে ভাষণ দিচ্ছিলেন পালওয়াশা। ভারত-পাক টানাপোড়েনের মধ্যেই নিজের ভাষণে বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, পালওয়াশা বলছেন, “অযোধ্যার বাবরি মসজিদের প্রথম ইঁট স্থাপন করবেন পাকিস্তানি সৈনিকরা। আর সেই মসজিদে প্রথম আজান দেবেন সেনাপ্রধান আসিম মুনির স্বয়ং। আমরা মোটেও চুড়ি পরে বসে নেই।” যুদ্ধের আবহে সেনেটরের এমন হিংসাত্মক মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুধু বাবরি মসজিদ নয়, ভারতীয় সেনা প্রসঙ্গেও বিভাজনমূলক মন্তব্য করেছেন পাক সেনেটর। তাঁর কথায়, ভারত যদি পাকিস্তানে আক্রমণ করে তাহলে নাকি শিখ ধর্মাবলম্বীরা তাতে অংশ নেবেন না। পালওয়াশার আজব যুক্তি, “ভারত যে পাকিস্তানকে এত হুমকি দিচ্ছে, ওদের জানিয়ে দিতে চাই যে ভারতের শিখ সৈনিকরা মোটেও পাকিস্তানকে আক্রমণ করবে না। কারণ এটা তাঁদের কাছে গুরু নানকের দেশ।”

Advertisement

উল্লেখ্য, পহেলগাঁও হামলার পর একাধিকবার উসকানিমূলক মন্তব্য করা হয়েছে সীমান্তের ওপার থেকে। প্রাক্তন পাক বিদেশমন্ত্রী তথা পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রধান বিলাওয়াল ভুট্টো বলেছিলেন, ”সিন্ধু নদ আমাদের। আর আমাদেরই থাকবে। হয় এখান দিয়ে জল বইবে, নয়তো ওদের (ভারতীয়দের) রক্ত।” বিলাওয়ালের মতোই উসকানিমূলক মন্তব্য এবার শোনা গেল আরও এক পাক নেত্রীর মুখে। গত ৬ দিন ধরে টানা ভারতের দিকে গুলিবর্ষণ করছে পাক সেনা। এমন হিংসাত্মক আচরণের নেপথ্যে কি সেদেশের নেতৃবর্গের আগ্রাসী মন্তব্যই দায়ী?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন