‘ভারত শান্তির পক্ষে’, জেলেনস্কিকে মোদির বার্তা, মস্কো-ওয়াশিংটনের ‘সেতু’ হবেন প্রধানমন্ত্রী?

ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ২৩:৪৬

options
link
‘ভারত শান্তির পক্ষে’, জেলেনস্কিকে মোদির বার্তা, মস্কো-ওয়াশিংটনের ‘সেতু’ হবেন প্রধানমন্ত্রী?
২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভারতের অবস্থান ছিল শান্তির পক্ষে।

২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভারতের অবস্থান ছিল শান্তির পক্ষে। আরও একবার সেকথা মনে করিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে। সেখানেই মোদি মনে করিয় দিয়েছেন, যুদ্ধের আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়াটা অত্যন্ত প্রয়োজন।

Advertisement

বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। সাম্প্রতিক অতীতে ভারত এবং ইউক্রেনের মধ্যে যোগাযোগ অনেকটা বেড়েছে। তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে। দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েই আজ আমাদের আলোচনা হয়েছে। যুদ্ধের আগে যেমন বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল, সেটা ফিরিয়ে আনতে আমরা দু’জনেই সহমত হয়েছি। একইসঙ্গে আমি মনে করিয়ে দিয়েছি, ভারত সবসময়ে শান্তির পক্ষে। মানবতাকে সমস্তকিছুর উর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূত্রের খবর, জি-৭’এর এই সম্মেলনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনকে আগামী দিনে আরও বেশি অস্ত্র দিতে রাজি হয়েছে এই মঞ্চ, এমনটাই অনুমান। এহেন পরিস্থিতিতে মোদির মাধ্যমে ‘শত্রু’ জেলেনস্কিকে বার্তা দিতে চায় মস্কো, এমনটাও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আবার জি-৭ মঞ্চের বার্তা রাশিয়া পর্যন্ত পৌঁছে দেবেন মোদি, এমনটাও মনে করা হচ্ছে। যদিও ভারত চাইবে, মধ্যপ্রাচ্যের মতো রাশিয়া-ইউক্রেনও আলোচনার টেবিলে বসুক। কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা মেটাক দুই দেশ।

Advertisement

উল্লেখ্য, যুদ্ধক্ষেত্রে কখনও সমাধানের পথ মেলে না। বৈঠক ও কূটনীতির মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন। ভারত এই বিদেশনীতিতেই বিশ্বাসী। আর এই অবস্থান থেকেই রাশিয়া এবং ইউক্রেনকে বারবার আলোচনায় বসার বার্তা দিয়েছে ভারত। বিশ্লেষকদের মতে, মোদির পরামর্শে যদি আলোচনায় বসে ইউক্রেন ও রাশিয়া তাহলে তা বিরাট কুটনৈতিক জয় হবে। ভারসাম্যের খেলা খেলে যদি দিল্লি এই যুদ্ধের বন্ধের পথ খুলে দিতে পারে তাহলে তা বিভিন্ন দেশের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন