Su-57

উন্নত রাডারেও অদৃশ্য! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতকে সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের

পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের সন্ধানে নয়াদিল্লি! তার মধ্যেই রুশ প্রেসিডেন্টের বড় প্রস্তাব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ২০:১৩

options
link
উন্নত রাডারেও অদৃশ্য! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতকে সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের
ফাইল চিত্র।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়ে দিলেন, তাঁরা ভারতকে সু-৫৭ (Su-57) সরবরাহ করতে প্রস্তুত রয়েছেন। এই মুহূর্তে নয়াদিল্লি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের সন্ধানে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই এমন প্রস্তাব পুতিনের। সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন, ভারতকে উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিও হস্তান্তর করতে রাজি মস্কো।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় পুতিন বলেন, এর আগেও ভারতকে যৌথভাবে সু-৫৭ নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিল রাশিয়া। কিন্তু ২০১৮ সালে ভারত সেই প্রকল্প থেকে সরে এসেছিল। পুতিনের কথায়, ”আমাদের ভারতীয় বন্ধুরা জানিয়েছিল, এখন আপনারা আপনাদের মতো এগিয়ে যান। পরে দেখা যাবে। হয়তো আমরা যুক্ত হতেও পারি। সেক্ষেত্রে বিমান আমরা একসঙ্গেই নির্মাণ করতে পারতাম। এবার আমরা নিজেরাই সেই বিমান তৈরি করেছি। তবে এবার আমরা ভারতের সঙ্গেও কাজ করতে আমরা প্রস্তুত।” পুতিনের এহেন মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুতিন আসলে পশ্চিমি বিশ্বকে কটাক্ষ করে এটা বুঝিয়ে দিতে চাইলেন, দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতায় কোনও সীমাবদ্ধতা থাকার অর্থ হয় না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, রাশিয়ার সুখোই ডিজাইন ব্যুরোর সু-৫৭ বিমানটি আকাশ, স্থল ও সমুদ্রের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষমতা রাখে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের পরিস্থিতিতেও দিন-রাত সর্বক্ষণ যুদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে এই বিমান। সেই সঙ্গেই কম দৃশ্যমানতাতেও সমান কর্মক্ষম পঞ্চম প্রযুক্তির এই বিমান। এমন বিমান ভারতের ভাঁড়ারে এলে যে চিন ও পাকিস্তানের ঘুম ছুটবে তাতে নিশ্চিত বিশেষজ্ঞ মহল।

Advertisement

এদিকে আমেরিকা শুল্কবাণ ইস্যুতেও ‘বন্ধু’ ভারতের পাশেই দাঁড়িয়েছে রাশিয়া। সাংবাদিক সম্মেলনে পুতিন বলেন, “বিশ্বের সেরা অর্থনীতিগুলির মধ্যে অন্যতম ভারত। সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি হয়েছে সেখানে। আগামী দিনে ব্যাপক বৃদ্ধি দেখা যাবে ভারতীয় অর্থনীতিতে। এটা আচমকা একদিনে হয়নি। প্রধানমন্ত্র নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত সরকারের কঠোর পরিশ্রমের ফলে এটা সম্ভব হয়েছে।” পুতিন আরও বলেন, “জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের সঙ্গেই ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করছে। সেটা অত্যন্ত উপযোগী পদক্ষেপ।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন