London

একসঙ্গে ‘পার্টি ড্রাগ’, মদ, ওষুধ খাওয়াই কাল! লন্ডনের হোটেলে হৃদরোগে মৃত্যু সৌদি রাজপুত্রের

প্রিন্স আবদুল্লার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা পাওয়া গিয়েছে প্রতি ১০০ মিলিলিটারে রক্তে ২২২ মিলিগ্রাম— যা ইংল্যান্ডে গাড়ি চালানোর সময় মদ্যপানের আইনি সীমার প্রায় তিন গুণ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১৪:৩০

options
link
একসঙ্গে ‘পার্টি ড্রাগ’, মদ, ওষুধ খাওয়াই কাল! লন্ডনের হোটেলে হৃদরোগে মৃত্যু সৌদি রাজপুত্রের
সৌদি রাজপুত্রের মৃত্যু সংক্রান্ত মামলা ওঠে লন্ডনের একটি আদালত।

একসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মদ, মাদক এবং চিকিৎসকের পরামর্শে নেওয়া ওষুধ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৯ বছর বয়সি সৌদি রাজপুত্র আবদুল্লা ইবনে ফাহাদ ইবনে আবদুল্লা ইবনে আবদুল আজিজ ইবনে জালাভি আল সৌদের। লন্ডনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে এই ঘটনা ঘটে। গত বছর ২৫ নভেম্বর কিংস্টোনের ম্যারিওট হোটেলে হৃদরোগে আক্রন্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। যদিও সেই ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে শুক্রবার। অতিরিক্ত মাদক সেবনে সৌদি রাজপুত্রের মৃ্ত্যুর কথা জানিয়েছে দ্য সান, ডেইলি মিররের মতো একাধিক সংবাদমাধ্যম।

Advertisement

সৌদি রাজপুত্রের মৃত্যু সংক্রান্ত মামলা উঠেছিল লন্ডনের একটি আদালত। পুলিশ জানিয়েছে, এক সপ্তাহ থাকবেন বলে ১৯ নভেম্বর ম্যারিওট হোটেলে চেক-ইন করেছিলেন আবদুল্লা। জীবন্ত অবস্থায় তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছে ২৫ নভেম্বর সকালে। সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে, সিগারেট খেতে হোটেলের বাইরে আসছেন তিনি। সেদিনই হোটেলের এক সাফাইকর্মী আবিষ্কার করেন ছ’তলার ঘরের শৌচালয়ে পড়ে আছেন সৌদি রাজপুত্র। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ বছরের রাজকুমারের।

Advertisement

ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে, প্রিন্স আবদুল্লার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল প্রতি ১০০ মিলিলিটারে রক্তে ২২২ মিলিগ্রাম— যা ইংল্যান্ডে গাড়ি চালানোর সময় মদ্যপানের আইনি সীমার প্রায় তিন গুণ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, কেবলমাত্র অ্যালকোহলের মাত্রার কারণেই কোমায় চলে যেতে পারতেন আবদুল্লা। এছাড়াও রক্তে মিলেছে ‘পার্টি ড্রাগ’ হিসেবে পরিচিত গামা-হাইড্রোক্সিবাইউটাইরেট বা জিএইচবির প্রাণঘাতী মাত্রা, পাশাপাশি গাঁজা, জ্যানাক্স। উদ্বেগ-বিরোধী ওষুধের উপস্থিতিও মিলেছে রক্তে। সেগুলি চিকিৎসকের অনুমোদিত মাত্রাতেই ছিল, দাবি তদন্তকারীদের। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন মাদক ও ওষুধের সংমিশ্রণই হৃদরোগে আক্রন্ত হওয়ার কারণ।

Advertisement

তদন্ততকারীরা আদালতকে জানিয়েছেন, প্রিন্স আবদুল্লা মদ এবং চিকিৎসকের পরামর্শে সেবন করা ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন। মাদকের নেশা ও ওষুধের আসক্তি ছাড়াতে ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে রোহ্যাম্পটনের প্রায়োরি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। যদিও এরপরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। শেষ পর্যন্ত নেশাই তাঁর প্রাণ কাড়ল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.