Doomsday Clock

‘শেষের সেদিন ভয়ংকর…’, আরও এক সেকেন্ড এগোল ‘ডুমস ডে ক্লক’

পারমাণবিক যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিপদে খাদের কিনারে পৃথিবী!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৪:৪৩

options
link
‘শেষের সেদিন ভয়ংকর…’, আরও এক সেকেন্ড এগোল ‘ডুমস ডে ক্লক’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ডুমস ডে ক্লকে’র কাঁটা মহাপ্রলয় থেকে মাত্র ৯০ সেকেন্ড দূরে অবস্থান করছিল। এবার তা এগোল আরও ১ সেকেন্ড। অর্থাৎ মহাপ্রলয় আর ৮৯ সেকেন্ড দূরে সভ্যতা। ‘বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস’-এর প্রধান ড্যানিয়েল হোলৎস জানিয়েছেন, এই অবস্থান সমস্ত বিশ্বনেতাদের কাছে একটা বিরাট হুঁশিয়ারি। বলে রাখা ভালো, এই ৮৯ সেকেন্ড কিন্তু প্রতীকী। যা পর্যায়ক্রমে সভ্যতার ধ্বংসের মুহূর্তকে চিহ্নিত করে চলেছে।

Advertisement

কিন্তু কী এই ডুমস ডে ক্লক? এটা এমন এক ঘড়ি যার কাঁটা পৃথিবীকে ঘিরে থাকা বিপদের মাত্রা অনুযায়ী ঘুরতে থাকে। ১৯৪৭ সালে বুলেটিন অব অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টসের সদস্য এবং শিল্পী মার্তিল ল্যাংসডর্ফ ডুমস ডে ক্লক তৈরি করেন। জানিয়ে দেওয়া হয়, এই ঘড়ির কাঁটা মধ্যরাতে পৌঁছনো মাত্রই ধ্বংস হবে মানব সভ্যতা। পারমাণবিক যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও জনস্বাস্থ্যের মতো বিষয়ে উদ্বেগ বেড়েছে সম্প্রতি। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন মসনদে বসার পরই উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা। আর তাই ১ সেকেন্ড এগিয়ে দেওয়া হল ঘড়ির কাঁটা। এর আগে ২০২২ সালে শেষবার এই ঘড়ির কাঁটা সরানো হয়েছিল রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পরই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর এবার ঘড়ির কাঁটা ১ সেকেন্ড সরানো নিয়ে বিজ্ঞানীদের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘মধ্যরাতের দিকে ঘড়ির কাঁটা আরও ১ সেকেন্ড সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অর্থ, আমরা একটা কড়া হুঁশিয়ারি দিতে চাইছি। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত শুরু হয়েছে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে যুদ্ধ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে যে কোনও সময় পারমাণবিক সংঘাতে বদলে যেতে পারে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া কিংবা দুর্ঘটনা অথবা ভুল হিসেবের কারণে।’ সেই সঙ্গেই হুঁশিয়ারি, ‘পৃথিবী যেহেতু খাদের কিনারে তাই প্রতিটি সেকেন্ডের পরিবর্তন ভয়ংকর দুর্যোগেরই ইঙ্গিতবাহী।’

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন