সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ চিন সাগরে একাধিপত্য স্থাপনে মরিয়া চিন (China)। আর তাই ফিলিপিন্সের (Philippines) মতো দেশের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদে জড়িয়েছে তারা। যা নিয়ে বরাবরই সরব নয়াদিল্লি। সম্প্রতি ফিলিপিন্স ফের অভিযোগ তুলেছে চিনের বিরুদ্ধে। আর তারপরই বেজিংকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার বার্তা দিল ভারত। শান্তিপূর্ণ আলোচনার মধ্যে সমস্যার সমাধানের আহ্বানও জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
ঠিক কী হয়েছিল? আসলে দক্ষিণ চিন সাগরে কয়েক দশক ধরে ‘দাদাগিরি’ চালাচ্ছে চিন। সেখানে অবস্থিত বেশ কিছু প্রবাল প্রাচীর নিজেদের বলে দাবি করেছে বেজিং। একই দাবি রয়েছে ফিলিপিন্স-সহ আশপাশের কয়েকটি দেশের। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই একটি প্রবাল প্রাচীরের কাছে ফিলিপিন্সের একটি জাহাজ আটকে রয়েছে বহু বছর ধরে। সেখানে নিয়মিত অবস্থান করেন ফিলিপিন্স সেনাকর্মীরা। সেদেশের উপকূলরক্ষীরা তাঁদের জ্বালানি, খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বস্তু সরবরাহ করেন। চিনের উপকূল রক্ষীবাহিনী তাদের বাধা দেয়।
[আরও পড়ুন: সৌরভের সঙ্গে কীভাবে আলাপ হল নিহত স্বপ্নদীপের বাবার? প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য]
গত শনিবার নতুন করে তাঁদের উদ্দেশে জলকামান ছোঁড়ে চিনা বাহিনী। যাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই আচরণকে ‘বেআইনি’ বলে সোমবারই সমন পাঠানো হয় ফিলিপিন্সে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূতকে।
এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানিয়েছেন, এই বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রয়োজন। তাঁর কথায়, ”দক্ষিণ চিন সাগরে আন্তর্জাতিক আইন বজায় রাখতে দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থান রেখে চলেছি আমরা। আমাদের আরজি উভয়পক্ষই যেন আর এই ধরনের সংঘাতে না জড়ায়।”
[আরও পড়ুন: ‘দোষ থাকলে শাস্তি হোক’, যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় দাবি ধৃত সৌরভের বাবার]
সর্বশেষ খবর
-
বিমানের টিকিট সমস্যায় শিলংয়ে চরম ভোগান্তি মোহনবাগানের, ডুরান্ড ডার্বির আগে নেই রিকভারির সুযোগও!
-
‘শিখা’য় শিক্ষা! নিউ মার্কেটের আরও ১৭ হোটেলকে শোকজ দমকলের! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’
-
ইস্টবেঙ্গলে অন্য রূপে ফিরছে ইমামি, ডুরান্ড ফাইনালের ডার্বির আগেই স্বস্তিতে লাল-হলুদ
-
‘চাইলে গোবিন্দাকে জ্যান্ত পুঁততেন বা বিষ খাওয়াতেন, কিন্তু…’, সুনীতাকে নিয়ে বিস্ফোরক রাখি!
-
যাদবপুরের আঁচ এবার মেদিনীপুর কলেজে, ক্যাম্পাসের মধ্যেই এসএফআই-এবিভিপি সংঘর্ষ!