Sutton Bengali Association

লন্ডনে শুধু ধুমধাম করে দুর্গাপুজো নয়, বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষায় অগ্রণী সাটন বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন

কয়েকজন স্বপ্নবাজ বাঙালির হাতে গড়া এই সংস্থা আজ যুক্তরাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় দাতব্য সংগঠন। লন্ডনের বুকে গড়ে তুলেছে প্রবাসী বাঙালিদের এক পরম আশ্রয়নীড়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৭:২১

options
link
লন্ডনে শুধু ধুমধাম করে দুর্গাপুজো নয়, বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষায় অগ্রণী সাটন বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন
লন্ডনে প্রবাসী বাঙালিদের অনন্য উদ্যোগ নজর কাড়ল সবার। নিজস্ব ছবি।

পরবাসের যান্ত্রিক জীবনেও বাঙালির মন পড়ে থাকে নিজের শিকড়ে। উৎসবের দিনগুলোয় ঢাকের বাদ্যি আর নাড়ুর গন্ধে মন ব্যাকুল। বাঙালির সেই চেনা ঐতিহ্যকেই বিলেতের মাটিতে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে ‘সাটন বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন’ (SBA)। কয়েকজন স্বপ্নবাজ বাঙালির হাতে গড়া এই সংস্থা আজ যুক্তরাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় দাতব্য সংগঠন। লন্ডনের বুকে গড়ে তুলেছে প্রবাসী বাঙালিদের এক পরম আশ্রয়নীড়।

Advertisement

সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় সংস্থাটি। সদস্যরা নিজেদের ব্যস্ত সময়ের মধ্যে থেকে সময় বের করে সব আয়োজন সামলান। খুদেরা অংশ নেয় নাচ, গান ও আবৃত্তিতে। নতুন প্রজন্ম শেখে সংগঠনের কাজ। বিলেতের ব্যস্ত জীবনে প্রবাসী বাঙালিরা দেখিয়ে দিচ্ছেন, কীভাবে শিকড়কে আঁকড়ে ধরেও বিদেশের মাটিতে সেবার হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায়। মানবিকতা ও সংস্কৃতির এই মেলবন্ধন আজ ব্রিটেনে বাঙালি সংস্কৃতির এক নয়া দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

এখানে দুর্গোৎসব কিংবা পয়লা বৈশাখ শুধু উৎসব নয়। প্রবাসী নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে চেনা রুটের পরিচয় করানোর মেলবন্ধন। তবে এই সংস্থার কাজ শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজনেই সীমাবদ্ধ নেই। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি সমাজসেবায় অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছে SBA। সম্প্রতি ‘সাটন ফুডব্যাঙ্ক’-এর সহায়তায় তারা খাদ্য সংগ্রহ অভিযান চালিয়েছে। পাশাপাশি ‘ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে’-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে পুরোনো পোশাক সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। এই সব কাজ একদিকে যেমন অভাবী মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ রক্ষার বার্তাও দিচ্ছে। 

Advertisement
Bengali-Association
অভাবী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষাতেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এই সংস্থা। নিজস্ব ছবি।

এই সংগঠনের মূল শক্তি হল এদের অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবনা। এখানে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে সাদরে গ্রহণ করা হয়। স্থানীয় ব্রিটিশ বাসিন্দা, কাউন্সিলর ও আইন প্রণেতারা নিয়মিত এদের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এর ফলে প্রবাসী বাঙালি ও মূলধারার ব্রিটিশ সমাজের মধ্যে সম্প্রীতির এক চমৎকার সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছে। সংগঠনের অন্যতম মুখ শ্রী সঞ্জয় দাসের মতে, “প্রতি বছর হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে SBA-এর কর্মযজ্ঞ আরও বিস্তৃত হচ্ছে। হাজার হাজার মাইল দূরে থেকেও বাংলা সংস্কৃতির প্রাণস্পন্দন, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার যে অনন্য উদাহরণ SBA সৃষ্টি করেছে, তা নিঃসন্দেহে যুক্তরাজ্যে বাঙালিদের গর্বের এক উজ্জ্বল অধ্যায়।”

Advertisement

সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় সংস্থাটি। সদস্যরা নিজেদের ব্যস্ত সময়ের মধ্যে থেকে সময় বের করে সব আয়োজন সামলান। খুদেরা অংশ নেয় নাচ, গান ও আবৃত্তিতে। নতুন প্রজন্ম শেখে সংগঠনের কাজ। বিলেতের ব্যস্ত জীবনে প্রবাসী বাঙালিরা দেখিয়ে দিচ্ছেন, কীভাবে শিকড়কে আঁকড়ে ধরেও বিদেশের মাটিতে সেবার হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায়। মানবিকতা ও সংস্কৃতির এই মেলবন্ধন আজ ব্রিটেনে বাঙালি সংস্কৃতির এক নয়া দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.