Ukraine

ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে রাশিয়ার পরমাণু কেন্দ্রে ড্রোন হামলা জেলেনস্কির, আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে যুদ্ধ

যদিও এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৫, ১৮:৫৫

options
link
ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে রাশিয়ার পরমাণু কেন্দ্রে ড্রোন হামলা জেলেনস্কির, আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে যুদ্ধ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে রাশিয়ার কার্স্কের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রাতভর ড্রোন হামলা চালিয়েছে সেদেশের সেনা। এমনকী এর জেরে সেখানে আগুন লেগে গল গল করে কালো ধোঁয়াও বেরোতে দেখা গিয়েছে। রবিবার এমনটাই দাবি করেছেন রুশ আধিকারিকরা। গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বাড়ছে আতঙ্ক। এরপর আদৌ দু’দেশের মধ্যে সংঘাত থামবে নাকি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে যুদ্ধ? এই প্রশ্নটিই এখন উঠতে শুরু করেছে। ইউক্রেনের এই হামলার পর সেখানে কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ শুরু হয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। 

Advertisement

রুশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, শনিবার রাত থেকে কার্স্কের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইউক্রেনের সেনা। এর জেরে সেখানকার একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎকেন্দ্রের তিন নম্বর ইউনিটের কার্যক্ষমতা ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে খবর। আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, এই হামলার পর বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি অংশে আগুন লেগে যায় এবং কালো ধোঁয়ায় ঢাকে গোটা এলাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। যদিও এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউক্রেনের এই হামলার পরে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে যুদ্ধ।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। তারপর থেকে একাধিক উদ্যোগ সত্ত্বেও মুখোমুখি বসে যুদ্ধ থামানো নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হননি দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। গত শুক্রবার আলাস্কায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ঘণ্টা তিনেকের আলোচনার পরেও রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে কোনও সমাধান মেলেনি। এরপর গত সোমবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সঙ্গে ছিলেন একাধিক ইউরোপীয় রাষ্ট্রপ্রধান। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, প্রয়োজনে ইউরোপীয় দেশগুলির নিরাপত্তার স্বার্থে যে কোনও সামরিক পদক্ষেপে নেতৃত্ব দিতে তৈরি আমেরিকা। কিন্তু দু’দেশের মধ্যে যুদ্ধ কবে শেষ হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাল ইউক্রেনের সেনা।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন