Donald Trump

‘আমাদের মধ্যে ভাঙন ধরাচ্ছে’, ট্রাম্পের সচিবের কথায় ফুঁসছেন মার্কিন হিন্দুরা

'রুশ তেল কিনে ফায়দা লুটছে ব্রাহ্মণরা', বলেছিলেন ট্রাম্পের সচিব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫, ১৮:০৩

options
link
‘আমাদের মধ্যে ভাঙন ধরাচ্ছে’, ট্রাম্পের সচিবের কথায় ফুঁসছেন মার্কিন হিন্দুরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রুশ তেল কমদামে কিনে লাভ করছে ভারতের ব্রাহ্মণরা! বিস্ফোরক জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য পরামর্শদাতা পিটার নাভারো। সেই মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। এবার নাভারোকে পদচ্যুত করার দাবি তুললেন আমেরিকার হিন্দুরা। তাঁদের মতে, ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে এহেন মন্তব্য করে হিন্দুদের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছেন ট্রাম্পের সচিব।

Advertisement

নাভারো বলেন, “ভারত ক্রেমলিনের জন্য লন্ড্রি ছাড়া আর কিছুই নয়…আপনি ভারতীয় জনগণের খরচে ব্রাহ্মণদের মুনাফা অর্জন করতে সাহায্য করেছেন। আমাদের এটি বন্ধ করা দরকার।” কিন্তু কেন হঠাৎ ব্রাহ্মণদের কথা বললেন তিনি, সেই বিষয়ে কিছুই খোলসা করেননি নাভারো। তাঁর দাবি, রাশিয়ার থেকে কম দামে তেল কিনে পরিশোধন করছে ভারত। তারপর পরিশোধিত তেল বিক্রি করছে ইউরোপের কাছে। তাঁর দাবি, মস্কো এবং বেজিংয়ের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। নাভারো বলেন, “মোদী একজন বড় নেতা… আমি বুঝতে পারছি না বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হয়েও কেন তিনি ভ্লাদিমির পুতিন এবং শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করছেন।”

Advertisement

নাভারোর মন্তব্য নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। গোটা বিষয়টি সহজ করে বুঝিয়ে তিনি বলেন, ‘আসলে একটা সময়ে মার্কিন মুলুকে ‘বস্টন ব্রাহ্মণ’ শব্দটি খুব প্রচলিত ছিল। উচ্চবর্ণের ধনবানদের বোঝাতে ব্যবহার হত এই শব্দ। এখনও ইংরাজিভাষীরা অনেকেই ধনবানদের ব্রাহ্মণ বলে অভিহিত করেন।’ তবে নাভারোর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে আমজনতা।

Advertisement

মার্কিন হিন্দুদের সংগঠন ‘হিন্দুপ্যাক্ট’-এর প্রধান অজয় শাহ বলেন, “এই মন্তব্যের সঙ্গে বিদেশনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। এটা বিশুদ্ধ হিন্দুবিদ্বেষ।” সংগঠনের প্রেসিডেন্ট দীপ্তি মহাজনের মতে, “যদি নাভারো হিন্দুদের উদ্দেশ্য করে এই কথা বলে থাকেন, সেটা ধর্মীয় হিংসা। আর যদি ভারতীয় নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য করে বলে থাকেন, তাহলে সেটা কূটনৈতিক ব্যর্থতা। যেভাবেই ব্যাখ্যা হোক না কেন, ভয়ংকর মন্তব্য করেছেন নাভারো।” সংগঠনের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, হিন্দু সমাজকে বিভক্ত করে দেওয়ার মতো ঔপনিবেশিক মানসিকতা নাভারোর। তাই অবিলম্বে পদ থেকে তাঁকে সরাতে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.