পাকিস্তানকে জঙ্গি রাষ্ট্রের তকমা দিতে পারে আমেরিকা

নিষিদ্ধ হতে পারে পাক নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭, ০৯:৫০

options
link
পাকিস্তানকে জঙ্গি রাষ্ট্রের তকমা দিতে পারে আমেরিকা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশির দশকে কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে ‘মুজাহিদ’ দানব তৈরি করেছিল আমেরিকা ও পাকিস্তান। আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত ‘হানাদার’দের তাড়াতে জেহাদিদের ‘স্টিংগার’ মিসাইল দিয়েছিল পেন্টাগন। ফলে যা হবার তাই হল, নিজেদেরই তৈরি অসুরের হামলায় এবার নাজেহাল মার্কিন মুলুক। সেই মুজাহিদদের নিয়ে দ্বন্দ্বেই তলানিতে ঠেকেছে পাকিস্তান ও আমেরিকার সম্পর্ক। সূত্রের খবর, সন্ত্রাসবাদীদের সমর্থন না থামালে পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র’ ঘোষণা করতে পারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

Advertisement

[জানেন, পাকিস্তানকে চাপে রাখতে এবার কী করতে চলেছে ভারত?]

Advertisement

হাক্কানি নেটওয়ার্ক, তালিবান, আল কায়দা-সহ একাধিক ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনকে ক্রমাগত মদত যুগিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। উদ্দেশ্যে ভারতের বিরুদ্ধে ‘ছায়া যুদ্ধ’ চালানো। তবে জেহাদি সংগঠনগুলির হামলার শিকার হচ্ছে আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাবাহিনী। যার জেরে ইসলামাবদকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন। এছাড়াও চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের দহরম মহরম নিয়েও প্রবল ক্ষুব্ধ ট্রাম্প প্রশাসন। পেন্টাগন সূত্রে খবর, না শুধরালে পাকিস্তানের ‘নন ন্যাটো অ্যালাই’ বা ‘সামরিক বন্ধু’র তকমা কেড়ে নেওয়া হতে পারে। সেটা হলে আমেরিকা থেকে আর কোনও সামরিক ও আর্থিক মদত পাবে না পাকিস্তান। এছাড়াও রয়েছে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার খাঁড়া। সম্প্রতি, জঙ্গিদের অর্থ জোগান দেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানের সব থেকে বড় সংস্থা ‘হাবিব ব্যাঙ্ক’-এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা। বেশ কিছু আইএসআই আধিকারিক ও শীর্ষ পাকিস্তানি নেতাদের আমেরিকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে বলেও খবর।

Advertisement

এর আগে সন্ত্রাস ইস্যুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘ব্রিকস’ সন্মেলনেও ‘বন্ধু’ চিনের তোপের মুখে পড়ে পাকিস্তান। তারপরই ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সুর চড়ায় ইসলামাবাদ। আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে আমেরিকাকে মদত না দেওয়ার ও হুমকি দেয় ওই দেশ। উল্লেখ্য, পাকিস্তান হয়েই আফগানিস্তানে রসদ ও সেনা পাঠায় আমেরিকা। সদ্য, ওই পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইসলামাবাদ। এছাড়াও মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান না কিনে চিনের জেএফ-২০ বিমানেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। কূটনৈতিক শিবির মনে করছে, ভারতকে বেকায়দায় ফেলতে আমেরিকার চেয়ে চিনকেই বেশি আপন বলে মনে করছে পাকিস্তান। তবে ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ দ্বৈরথে যে আখেরে লাভবান হবে নয়াদিল্লি, সেটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

[এবার সিলেবাস থেকে বাদ পড়ল মুন্সি প্রেমচাঁদের ‘গোদান’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.