Gautam Adani

বিরাট স্বস্তি আদানির, মার্কিন আদালতের ঘুষ মামলায় অব্যাহতি ধনকুবেরের!

দাবি, ঘুষের অঙ্ক ২৬.৫ কোটি ডলার তথা ২০২৯ কোটি টাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৬, ২১:৫৩

options
link
বিরাট স্বস্তি আদানির, মার্কিন আদালতের ঘুষ মামলায় অব্যাহতি ধনকুবেরের!
ফাইল ছবি।

তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের নভেম্বরে মামলা দায়ের হয়েছিল নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন জেলা আদালতে। অবশেষে সেই মামলায় অব্যাহতি পেতে চলেছেন ধনকুবের গৌতম আদানি! ব্লুমবার্গের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি তেমনই।

Advertisement

উল্লেখ্য, গৌতমের মালিকানাধীন ‘আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড’ (এজিএল) বাজারের চেয়ে বেশি দামে সৌরবিদ্যুৎ বিক্রির বরাত পেতে অন্ধ্রপ্রদেশ-সহ ভারতের কয়েকটি রাজ্যের সরকারি আধিকারিকদের (যার মধ্যে মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধিরাও রয়েছেন) ঘুষ দিয়েছিল বলে অভিযোগ। দাবি, ঘুষের অঙ্ক ২৬.৫ কোটি ডলার (২০২৯ কোটি টাকা)। তিনটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমেরিকার ন্যায়বিচার দফতর এবং বাজার নিয়ন্ত্রক এসইসি সংস্থা এসইসি (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন) যথাক্রমে ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনে অভিযোগপত্র পেশ করেছিল। যার ভিত্তিতে দায়ের হয়েছিল মামলা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২৪ সালের নভেম্বরে মামলা দায়ের হয়েছিল নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন জেলা আদালতে। অবশেষে সেই মামলায় অব্যাহতি পেতে চলেছেন ধনকুবের গৌতম আদানি! ব্লুমবার্গের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি তেমনই।

Advertisement

জানা গিয়েছে, আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি প্রতারণার অভিযোগ প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। একই সময়ে, মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনও আদানি ও অন্যদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দায়ের করা একটি সমান্তরাল দেওয়ানি জালিয়াতি মামলার নিষ্পত্তির দিকেও অগ্রসর হচ্ছে। ফৌজদারি অভিযোগগুলির মধ্যে ছিল ১৯৭৭ সালে চালু হওয়া আমেরিকার ঘুষ বিরোধী আইন লঙ্ঘনের মতো অভিযোগ। দেওয়ানি আইনেও অভিযোগ আনা হয়েছে শেয়ার এবং ঋণপত্রের বাজারের নিয়ম লঙ্ঘন সংক্রান্ত প্রতারণার।

এই বছরের শুরুতে আমেরিকা থেকে আসা সমন গ্রহণে রাজি হন শিল্পপতি গৌতম আদানি এবং তাঁর ভাইপো সাগর আদানি। হেগ কনভেনশনের সাহায্য নিয়ে এসইসি সমন পাঠানো হয় ভারতে। আইনি সহযোগিতার এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতও অন্যতম শরিক। তাই এ বিষয়ে পদক্ষেপ করতে এ রকম বাধ্যই হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার ভিত্তিতেই ওই সমন আদানির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য আহমেদাবাদের আদালতকে বলেছিল আইন মন্ত্রক। শুরুতে এ ব্যাপারে খানিক অনীহা দেখালেও শেষ পর্যন্ত সমন গ্রহণে সম্মত হন গৌতম-সাগর। তবে এবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন তাঁরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন