PoK

অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনে ভয়ংকর হিংসা! পুলিশের গুলিতে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু, ফুঁসছে জনতা

সরকারের গাজোয়ারি নির্বাচনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ছিলই। ভোটের প্রথম দফায় সেই ক্ষোভ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK)।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৬, ১৪:০০

options
link
অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনে ভয়ংকর হিংসা! পুলিশের গুলিতে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু, ফুঁসছে জনতা
উত্তাল অধিকৃত কাশ্মীর। ফাইল ছবি।

সরকারের গাজোয়ারি নির্বাচনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ছিলই। ভোটের প্রথম দফায় সেই ক্ষোভ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK)। সাধারণ মানুষের উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালাল পাকিস্তান পুলিশ। এই ঘটনায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। শুধু তাই নয়, অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে একে অপরের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি।

Advertisement

অধিকৃত কাশ্মীরে ৩ দফা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট ছিল গত সোমবার। নির্বাচন শুরু হতেই নানা জায়গা থেকে হিংসার খবর আসতে থাকে। একাধিক জায়গায় ব্যালট পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয় রাওয়ালকোট, কোটলির মতো এলাকাগুলি। গত ৫২ দিন ধরে রাওয়ালকোটে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালাচ্ছিল জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC)। এই বিক্ষোভ দমনে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ মিছিলে উপর অতর্কিতে গুলিবৃষ্টি শুরু করে পুলিশ। এই হামলায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বহুমানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

Advertisement

গত ৫২ দিন ধরে রাওয়ালকোটে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালাচ্ছিল জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC)। এই বিক্ষোভ দমনে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে।

সোশাল মিডিয়ায় পুলিশি হামলার একটি ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলি চালাচ্ছে পুলিশ। রাস্তায় পড়ে একাধিক মৃতদেহ। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। রাওয়ালকোটে সর্বত্র মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। বহু মানুষ আহত। আল্লা আমাদের রক্ষা করুন। কোনওমতে প্রাণ হাতে করে একমাত্র আমি বেঁচে ফিরতে পেরেছি। যারা এই ভিডিও দেখছেন, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। চারপাশে অসংখ্য মৃতদেহ পড়ে রয়েছে।’

Advertisement

হিংসার পাশাপাশি নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির ঘটনা সামনে এসেছে। কোটলি জেলার নিকিয়ালে ভোটগ্রহণ চলাকালীন ‘পাকিস্তান পিপলস পার্টি’র (পিপিপি) এক কর্মী মুখতার ইউনুসকে গুলি করে খুন করা হয়। পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ব্যাপক খুন-খারাপি ও বুথ দখলের ঘটনায় মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল) দলকে দায়ী করেছেন তিনি। অন্যদিকে, ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এই নির্বাচন বয়কট করেছে। নির্বাচনে কারচুপির জন্য সরাসরি পাক সেনার দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.