Steve Witkoff

‘বন্ধু’ ট্রাম্পের আরোগ্য কামনায় চার্চে প্রার্থনা পুতিনের! চাঞ্চল্যকর দাবি মার্কিন কূটনীতিকের

শৈত্যযুগ কাটিয়ে বসন্তের হাওয়া লেগেছে ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্কে!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৫, ২০:২৩

options
link
‘বন্ধু’ ট্রাম্পের আরোগ্য কামনায় চার্চে প্রার্থনা পুতিনের! চাঞ্চল্যকর দাবি মার্কিন কূটনীতিকের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনীতিতে কেউ কারও শত্রু নয়। জনপ্রিয় এই উবাচ দেশ ছাড়িয়ে বোধহয় বিশ্বমঞ্চেও সমানভাবে প্রযোজ্য। তা না হলে পৃথিবীর রাজনীতিতে শত্রুদেশ হিসেবে পরিচিত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য চার্চে গিয়ে প্রার্থনা করেন? শুনতে অস্বাভাবিক লাগলেও ঘটেছিল এমনটাই। তখন অবশ্য ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে বসেননি। রাশিয়া সফরে অতীতের সেই গোপন তথ্য সম্প্রতি ফাঁস করলেন স্টিভ উইটকফ।

Advertisement

ঘটনা গত বছরের জুলাই মাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন উপলক্ষে দেশজুড়ে তখন জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেমনই এক প্রচারে পেনসিলভেনিয়ার বাটলারে নির্বাচনী জনসভা করছিলেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় আততায়ী। গুলি কান ছুঁয়ে বেরিয়ে যায় বর্ষীয়ান নেতার। পালটা গুলিতে নিকেশ হয় হামলাকারী। হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় ট্রাম্পকে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। স্টিভের দাবি, সেই সময়ে চার্চে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। স্টিভের আরও দাবি, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হতে পারেন সে জন্য এই প্রার্থনা নয়, তিনি প্রার্থনা করেছিলেন কারণ ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ভালো বন্ধুত্ব ছিল।’

Advertisement

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর, পুতিনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই দেখেছে গোটা বিশ্ব। ইউক্রেন যুদ্ধকে হাতিয়ার করে রাশিয়ার প্রতি নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়েছে আমেরিকা। হোয়াইট হাউসে ঘাড়ধাক্কা খেয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এমনকী রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যে জোয়ার আনতে অতীতের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পথেও হেঁটেছেন ট্রাম্প। সবমিলিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে চলতে দুই দেশের শৈত্যপ্রবাহে বর্তমানে বসন্তের হাওয়া লেগেছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির চিরাচরিত গতিপথ সম্পূর্ণ ভিন্ন স্রোতে বইতে শুরু করেছে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে গোটা বিশ্বের কাছে খটকা লাগলেও এই ‘সুসম্পর্কের’ গোড়ার কথা তুলে ধরলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। আর তা হল, ট্রাম্প-পুতিনের বন্ধুত্ব।

Advertisement

মস্কো সফরে এক পডকাস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্টিভ আরও জানান, এক রাশিয়ার শিল্পীকে দিয়ে ট্রাম্পের একটি প্রতিকৃতি তৈরি করিয়েছিলেন পুতিন। যা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে। পুতিনের এই আচরণে মুগ্ধ হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট। শুধু তাই নয়, দুই দেশের সম্পর্ক মেরামতের দায়িত্ব তাঁর উপর দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছিলেন, অতীতের সমস্যা কাটিয়ে দুই দেশ যাতে বন্ধু রাষ্ট্র হয়ে ওঠে তিনি সেটাই চান। এই বার্তা পুতিনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই রাশিয়া সফরের উদ্দেশ্য যে দুই দেশের সংঘাত কাটিয়ে এক নতুন শুরুর সে কথাও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন স্টিভ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.